সিলেটে সপ্তাহব্যাপী আয়কর মেলার উদ্বোধন                 জিন্দাবাজারে পাঁচ ভাই রেস্টুরেন্টে পাখির মাংস, র‌্যাবের অভিযান                 হবিগঞ্জে এসএসসি’র ফরম পূরণে অতিরিক্ত ফি-আদায়ের অভিযোগ                 মাশরাফির বিরুদ্ধে নড়াইলে আ.লীগের ১৫ নেতা                 সিলেটে দুটি প্রতিষ্টানকে ৭০ টাকা জরিমানা                 ভোটে যাচ্ছে ঐক্যফ্রন্ট ও ২০ দলীয় জোট                 বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহার হলো যেসব বিএনপি নেতার                

জল থৈ থৈ করে কেউ নেই__আবু বকর সিতু

: সোনার সিলেট
Published: 19 06 2018     Tuesday   ||   Updated: 19 06 2018     Tuesday
জল থৈ থৈ করে কেউ নেই__আবু বকর সিতু

প্রমত্তা কুশিয়ারা ও পাললিক নদী বিবিয়ানা বিধৌত দীঘলবাক গ্রাম, শিক্ষা সংস্কৃতি ও সামাজিক ঐতিহ্যেযে গ্রামটির ছিল এক অন্যান্য আলোক উজ্জ্বল ভূমিকা। স্রোতস্বিনী-সর্বগ্রাসী, সর্বনাশা-কূলবিনাশী, কুশিয়ারা নদীর নির্দয় ভাঙনের ফলে ঐতিহ্যবাহী এ গ্রামটি আজ নিশ্চিহ্ন হওয়ার পথে।

গ্রামবাসী ও এলাকাবাসী বার বার বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও মন্ত্রী মিনিস্টার এর নিকট ধর্না দিয়েও আজ অবধি এই নদী ভাঙ্গনের কোন স্থায়ী সুষ্ট সমাধান করা সম্ভব হয়ে উঠেনি। ফলশ্রুতিতে যা হবার তাই হচ্ছে গ্রামটি আজ বিলিন হওয়ার পথে। তা ছাড়া ‘মরার উপর খাড়ার ঘা’ এর মত যোগ হয়েছে উজান থেকে নেমে আসা ঢলে অকাল বন্যা। প্লাবিত হয়েছে মাঠ ঘাট, হাটবাজার সহ সম্পূর্ন গ্রাম। বানের পানিতে তলিয়ে গেছে অসহায় হত দরিদ্র মানুষ গুলোর মাতা গোঁজার ঠাঁই। পানিতে সব হারিয়ে নিঃস্ব মানুষ গুলো আশ্রয় নিয়েছে দীঘলবাক হাইস্কুল ও কলেজের বন্যা আশ্রয় কেন্দ্রে। ইতিমধ্যে হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসক সহ আওয়ামীলীগ নেতা আলহাজ্ব দেওয়ান মিলাদ গাজী, বি,এন,পি, নেতা জনাব সেখ সুজাত মিয়া, উপজেলা চেয়ারম্যান এডঃ আলমগীর চৌধুরী, থানা নির্বাহী অফিসার তৌহিদ বিন হাসান দীঘলবাক ইউনিয়নের বন্যাদুর্গত এলাকাগুলো পরিদর্শন করেছেন। এবং বানভাসি মানুষ গুলোকে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করা হবে বলে আস্বস্ত করেছেন। গ্রামবাসী তথা এলাকাবাসীর দাবি দীঘলবাক গ্রামের নদী ভাঙ্গনের একটা স্থায়ী সমাধান করে গ্রামটিকে নদী ভাঙ্গনের হাত থেকে রক্ষা করা হউক। দ্বিতীয়ত দীঘলবাক গ্রাম তথা আসেপাশের যে গ্রামগুলি কুশিয়ারা বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধের বাহিরে আছে সেই সমস্ত গ্রাম গুলিকে বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধের আওতায় নিয়ে আসা হউক । আমাদের এ দাবি খুবই যুক্তিক। যদিও প্রতি বছর আমাদের সরকারি কর্তা ব্যক্তিরা অস্বাস দিয়ে যান আমাদের এই সমস্যা গুলি সমাধান করবেন বলে। আমরা আশা করব আর কালবিলম্ব না করে গ্রামবাসীকে ভাঙ্গনের করাল থাবা থেকে ও বন্যার অপুরনীয় ক্ষয়ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করার জরুরি উদ্বোগ গ্রহণ করবেন।




Share Button

আর্কাইভ

November 2018
M T W T F S S
« Oct    
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
2627282930  

Prayer Time Table

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ভোর ৪:৫৯
  • দুপুর ১১:৪৭
  • বিকাল ৩:৩৭
  • সন্ধ্যা ৫:১৬
  • রাত ৬:৩২
  • ভোর ৬:১৩


Developed By Mediait