আইন সহায়তা কেন্দ্র (আসক) ফাউন্ডেশন সিলেট জেলার মতবিনিময় সভা সম্পন্ন                 মানব সেবায় সমাজের সকল বিত্তবানদের এগিয়ে আসতে হবে —-আলী মিরাজ মোস্তাক                 রোটারি ক্লাব অব সিলেট গ্রীণ এর উদ্যোগে  শীতবস্ত্র, কম্বল ও শাড়ী বিতরণ                 রোটারী ক্লাব অব সিলেট গ্রীণের উদ্যোগে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী কে সহায়তা প্রদান                 বিহঙ্গ তরুণ সংঘের ৩৬ তম প্রতিষ্টা বার্ষিকী উপলক্ষে ক্রীড়া প্রতিযোগীতা অনুষ্টিত                 আলোকিত বাংলাদেশে’র উদ্যোগে শীত বস্ত্র বিতরণ                 কেউ নেই মুহিতের পাশে                
সর্বশেষ:

‘ধর্ষণ নয়, উভয়ের সম্মতিতে যৌন সম্পর্ক’

: সোনার সিলেট
Published: 04 08 2018     Saturday   ||   Updated: 04 08 2018     Saturday
‘ধর্ষণ নয়, উভয়ের সম্মতিতে যৌন সম্পর্ক’

সোনার সিলেট ডেস্ক।। কেরালার একটি ক্যাথোলিক ধর্মযাজকের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা নিয়ে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু ওই ধর্ষণ মামলার ভিক্টিম বা যিনি ধর্ষিত হয়েছেন তিনি আদালতে গিয়ে সুর পাল্টে ফেলেছেন। তিনি আদালতে গিয়ে বলেছেন, ওই ধর্মযাজকের সঙ্গে তার যৌন সম্পর্ক হয়েছে দু’জনের সম্মতিতে। ওই যাজকের নাম রবিন ভাড়াক্কুনচেরিল। ওই ধর্ষণ ঘটনায় ধর্ষিতা ও তার মা এ মামলার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। তারা আদালতে গিয়ে স্বীকার করেছেন উভয়ের সম্মতির কথা।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক রিপোর্টে এ কথা বলা হয়েছে। এতে আরো বলা হয় যে, কথিত ধর্ষিতা ওই যাজককে বিয়ে করতে চান। এ মামলার স্পেশাল প্রসিকিউটর বীণা কালিয়াথ বলেছেন, এ মামলার শুনানি শুরু হয় বুধবার থ্যালাসেরিতে একটি কোর্টে। সেখানে পিওসিএসও কোর্টের কাছে ভিকটিম বলেছেন, তিনি কোনো সংখ্যালঘু নন। অভিযুক্ত যাজকের সঙ্গে তিনি স্বেচ্ছায় যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেছিলেন। এক্ষেত্রে তাকে কোনো হুমকি দেয়া হয় নি। ওই ভিকটিম বলেছেন, যখন তাদের মধ্যে যৌন সম্পর্ক হয়েছে তখন তিনি প্রাপ্ত বয়সে পৌঁছেছিলেন। তাই ভিকটিম আদালতের কাছে বলেছেন, তিনি অভিযুক্ত যাজককে বিয়ে করতে চান। তার কাছ থেকে সন্তান নিতে চান।
ঘটনাটি গত বছরের। ওই সময়ই এ নিয়ে রিপোর্ট হয়। এরপর ওই যাজক ও আরো নয় জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয় প্রসিকিউশন। ওই সময়ে ভিকটিম ওই যাজকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনেছিলেন। কিন্তু বুধবার তিনি আদালতে বলেছেন, তখন তিনি শত্রুতাপূর্ণ একটি অবস্থায় চলে গিয়েছিলেন। তাই ধর্ষণের মামলা করা হয়েছিল। গত বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে আদালতে আগের মামলার বিরুদ্ধে অবস্থান নেন ভিকটিমের মা। এ মামলায় অভিযুক্ত দ্বিতীয় ব্যক্তি হলেন থাঙ্কাম্মা নিলিভানি ও তার মেয়ে লিজ মারিয়া। লিজ মারিয়া হলেন এ মামলায় ষষ্ঠ অভিযুক্ত। বৃহস্পতিবার আদালতে পৌঁছে ভিকটিমের মা এই দুই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আগে যে কথা বলা হয়েছিল তা প্রত্যাখ্যান করেন। এর আগে প্রসিকিউশন থেকে বলা হয়েছিল, ওই ‘ধর্ষণ’ ঘটনায় ভিকটিম একটি নবজাতক জন্ম দেন। এ ঘটনাকে ধামাচাপা দেয়ার জন্য থাঙ্কাম্মা ও লিজ মারিয়া ওই নবজাতককে হাসপাতাল থেকে সরিয়ে ফেলেছিলেন। ভিকটিমের বা কথিত ধর্ষিতার মা আদালতে আরো বলেছেন, যখন ঘটনাটি ঘটে তখন তার মেয়ে সংখ্যালঘু ছিল না। তাই ওই যাজকের বিরুদ্ধে তার কোনো অভিযোগ নেই। তবে প্রসিকিউটর কালিয়াথ বলেছেন, রেকর্ড অনুযায়ী ভিকটিম একজন সংখ্যালঘু। তাই তার বিবৃতি বিচারের ওপর কোনো প্রভাব ফেলবে না। তিনি আরো বলেন, ঘটনার তৃতীয় প্রত্যক্ষদর্শী ভিকটিমের পিতা। তাকে যাচাই করার সিদ্ধান্ত আমরা নিই নি। কারণ, প্রসিকিউশন চায় না আরেকজন সাক্ষী দাঁড়িয়ে আগের বক্তব্যের বিরুদ্ধে কথা বলুক। তিনি আরো বলেন, যদিও আদালতে ভিকটিম বলেছেন, ঘটনার সময় তিনি সংখ্যালঘু ছিলেন না। ততে সরকার ধর্ষিতাদেরকে যে ক্ষতিপূরণ দেয় সেই দুই লাখ রুপি তিনি নিয়েছেন সরকারের কাছ থেকে।
ধর্ষিতা ২০১৭ সালের মার্চে একটি মেয়ে সন্তান জন্ম দেন। প্রথমদিকে ওই ধর্ষিতার পিতা দাবি করেছিল যে, তার কন্যার গর্ভের সন্তানের জন্য সেই দায়ী। ফলে পুলিশ তার বিরুদ্ধে একটি মামলা করে। পরে ধর্ষিতার পিতা উল্টো সুর ধরেন। এক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্ট দু’জন নান সহ তিন অভিযুক্তকে মুক্তি দেয়ার আবেদন অনুমোদন করে। আদালত ছেড়ে দেয় টেসি হোসে, হায়দার আলী ও অ্যানসি ম্যাথিউকে। যে হাসপাতালে ওই ধর্ষিতা সন্তান জন্ম দিয়েছিলেন তা পরিচালনা করে ওই চার্চ এবং এরই ডাক্তার ও প্রশাসক মুক্তিপ্রাপ্তরা।

এসএসডিসি/কেএ




Share Button

আর্কাইভ

January 2019
M T W T F S S
« Dec    
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031  

Prayer Time Table

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ভোর ৫:২৮
  • দুপুর ১২:১৩
  • বিকাল ৪:০০
  • সন্ধ্যা ৫:৪০
  • রাত ৬:৫৬
  • ভোর ৬:৪৩


Developed By Mediait