ফরহাদ চৌধুরী শামীম : আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতিচ্ছবি || সাজন আহমদ সাজু                 ভ্রমণ পিপাসী মন শিখে ঘরে ফিরে ।। মোহাম্মদ আব্দুল হক                 পুরস্কারের জন্য পাণ্ডুলিপি আহবান করেছে পাপড়ি প্রকাশ                 ঝাল ছড়ার ডাকে সাতক্ষীরা ভ্রমণ__কামরুল আলম                 ঝাল ছড়ার ডাকে সাতক্ষীরা ভ্রমণ  ।। কামরুল আলম ।।                 সৃজনশীলতা না থাকলে  লেখার ভবিষ্যত থাকে না                 যুক্তফ্রন্টের পাল্টা জোট গঠন, নেতৃত্বে মিছবাহ                

নবীগঞ্জে কুশিয়ারার বাধঁ ভেঙ্গে তলিয়ে গেছে ২হাজার ৫০ হেক্টর জমি

: সোনার সিলেট
Published: 07 04 2017     Friday   ||   Updated: 07 04 2017     Friday
নবীগঞ্জে কুশিয়ারার বাধঁ ভেঙ্গে তলিয়ে গেছে ২হাজার ৫০ হেক্টর জমি

সোনার সিলেট ডেস্ক।। গত কয়েকদিন ধরে টানা বর্ষণ ও উজান থেকে পাহাড়ি ঢলের পানি নেমে আসায় নবীগঞ্জ উপজেলার দীঘলবাক ইউনিয়নের কুশিয়ারার বাধঁ ভেঙ্গে নতুন করে অনেক জমি তলিয়ে গেছে।

 

শুক্রবার সকালে পানি ঢল নামায় নতুন জমি তলিয়ে যাওয়ায় দিশেহারা কৃষকরা।

বাধঁ ভেঙ্গে যাওয়ায় নদীর পানিতে ওই ইউনিয়নের বেশ কিছু নদী তীরবর্তী অনেকের বাড়ির আঙ্গিনায় পানি উঠে যাওয়ায় তারা মানবেতর জীবন যাপন করছেন। তলিয়ে গেছে প্রায় ১৭০ হেক্টর জমি। এছাড়াও পুরো উপজেলায় মোট ২০৫০ হেক্টর জমি তলিয়ে গেছে বলে কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে।

 

স্থানীয়রা জানান, কসবা এলাকার কৃষকরা তাদের জমির ফসল রক্ষার্থে নিজেরাই কসবা এলাকায় বাধঁ দিয়েছিলেন। কয়েকদিন ধরে টানা বর্ষণে বাধের উপর দিয়ে অল্প করে পানি প্রবেশ করে। কিন্তু তাৎক্ষনিক কোন ব্যবস্থা না নেয়ায় গতকাল বাধঁটি পুরোপুরি ভেঙ্গে গিয়ে জমিতে পানি প্রবেশ করে এতে প্রায় ১৭০ হেক্টর জমি তলিয়ে গেছে। এবং অনেক বাড়ির আঙ্গিনায় পানি উঠে যাওয়ায় অনেকেই আতঙ্কে আছেন।

 

পানি উন্নয়ন বোর্ডের দেয়া রাধাপুর গ্রামের মূল বাধঁ ভেঙে গেলে নবীগঞ্জের কয়েকটি ইউনিয়নে বন্যায় প্লাবিত হয়ে ব্যাপক ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী। এ ব্যাপারে জরুরী ভিত্তিতে কুশিয়ারা নদীর ওই ডাইকের মেরামত করে অকাল বন্যার হাত থেকে নবীগঞ্জবাসীকে রক্ষা করার জন্য প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

 

স্থানীয়রা আরো জানান, প্রতিবছরই বর্ষা মৌসুমে এ অঞ্চলের মানুষের দুর্বিষহ জীবন যাপন করতে হয়। নদীর তীরবর্তী গ্রাম হওয়ায় এ দুর্ভোগের শিকার হতে হয় তাদেরকে। অনেক পরিবারের লোকজনকে হাঁটুপানিতে ভিজে ঘরে আসা যাওয়া করতে হয় তাদের। প্রতিবছরই নদী ভাঙনের শিকার হয়ে শতাধিক পরিবার নিঃস্ব হয়েছে। এর মধ্যে বর্ষা মৌসুমে মানুষের দুর্ভোগের শেষ নেই। এছাড়াও অতিবৃষ্টিতে নবীগঞ্জ উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নে গত বৃহস্পতিবার সন্ধা পর্যন্ত পাওয়া খবরে জানা গেছে মোট ২০৫০ হেক্টর জমি অতি বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে। কৃষি অধিদপ্তরে বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টায় প্রেরিত অতিবৃষ্টিতে বোরো ধান নিমজ্জিত হওয়ার প্রতিবেদনে কৃষি কর্মকর্তা দুলাল উদ্দিন ‘৪নং দীঘলবাক ইউনিয়নে বাধ ভেঙ্গে নতুন করে কিছু জমিতে পানি প্রবেশ করেছে’ মর্মে মন্তব্য করেন।

 

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাজিনা সারোয়ার বলেন, বাধঁ ভাঙ্গার খবর পেয়ে সরজমিনে গিয়ে দেখে এসেছি। বাধঁ ভেঙ্গে কিছু জমি ও কয়েকটি বাড়ির আঙ্গিনায় পানি উঠে গেছে। এটি পানি উন্নয়ন বোর্ড কতৃক দেয়া না, বাধটি স্থানীয় কৃষকরা তাদের ফসল রক্ষার্থে নিজেরা দিয়েছিলেন। তবে পানি না কমা পর্যন্ত বাধঁ মেরামত করা যাবেনা বলে জানান ইউএনও।

 

 

সোনারসিলেট/ কেএ




Share Button

আর্কাইভ

September 2018
M T W T F S S
« Aug    
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930

Prayer Time Table

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ভোর ৪:৩৬
  • দুপুর ১১:৫৩
  • বিকাল ৪:১১
  • সন্ধ্যা ৫:৫৬
  • রাত ৭:০৯
  • ভোর ৫:৪৭


Developed By Mediait