Header Border

ঢাকা, বুধবার, ৩রা জুন, ২০২০ ইং | ২০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ (গ্রীষ্মকাল) ২৯°সে

ফের চালু হলো ‘আলী আমজদের ঘড়ি’, বন্ধ হতে কতদিন?

সোনার সিলেট ডেস্ক:
NM2ফের সংস্কার করে পরীক্ষামূলকভাবে সিলেট নগরের কিনব্রিজ সংলগ্ন ঐতিহ্যবাহী ‘আলী আমজদের ঘড়ি’ চালু করা হয়েছে। সিলেট সিটি করপোরেশন এরআগে কয়েকদফা সংস্কার কাজ করলেও কিছুদিন পরই আবার নষ্ট হয়ে পড়ে এই ঘড়ি।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ঘড়িঘরের ফাঁকফোকর দিয়ে পাখি ঢুকে অপারেশনাল ডিভাইস নষ্ট করে ফেলে। এ কারণেই ঠিক করার কিছুদিন পর পর সিলেটের ঐতিহ্যবাহী আলী আমজদের ঘড়ি বিকল হয়ে পড়ে থাকে। তবে এবার পাখি ঢোকার পথ বন্ধ করে নতুন ভাবে সংস্কার করা হয়েছে। সংস্কারের পর পরীক্ষামূলকভাবে ফের চালুও হয়েছে এটি। আলী আমজদের ঘড়ি সংস্কার কাজের দায়িত্বে থাকা সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তারা এমনটি জানিয়েছেন। ঘড়িটি চালু করতে দেখে বললেন, কতদিন পর আবার অচল হবে!

সিলেটের কয়েকটি ঐতিহ্যের মধ্যে অন্যতম সুরমা তীরের আলী আমজদের ঘড়িঘর। ঘড়িঘরের নান্দনিক স্থাপত্য মানুষকে আকৃষ্ট করলেও ঐতিহ্যবাহী ঘড়িটি প্রায়ই বিকল হয়ে পড়ে থাকে। চলতি বছরের জুন মাসের শুরুর দিকে সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে সংস্কার কাজ শুরু হয়। ৪ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ঘড়িটির সংস্কারের কাজ পায় ঐশী ইলেক্ট্রনিক্স। সিসিকের সূত্রে জানা যায়, দেড় বছরের জন্য রক্ষনাবেক্ষণের চুক্তিতে কাজ পায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি।

এ ব্যাপারে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ রুহুল আলম বলেন, ‘ঘড়িঘরের ফাঁকফোকর পাখি ঢুকে ঘড়ির বিভিন্ন ডিভাইস নষ্ট করে ফেলায় কিছু দিন পর পর এটি বিকল হয়ে যেত।’ তিনি বলেন, ‘এখন সমস্ত ফাঁকফোকর বন্ধ করা হয়েছে, আশা করি কদিন পর পর আর বিকল হবে না।’
উল্লেখ্য, ১৪২ বছর আগে অবিভক্ত ভারতের তৎকালীন গর্ভনর জেনারেল লর্ড নর্থ ব্রুককে সিলেটে স্বাগত জানাতে সুরমা নদীর তীরে চাঁদনীঘাটের সিঁড়ি ও এই ঘড়িঘরটি নির্মাণ করেন তৎকালীন জমিদার আলী আহমদ খাঁ। পরে আলী আহমদ নিজ পুত্র আলী আমজদের নামে নামকরণ করেন এই ঘড়ির।

তখন থেকেই সিলেটের পরিচিতির সাথে জড়িয়ে আছে এই ঘড়িঘর। একসময় পুরো সিলেট শহরের মানুষ এই ঘড়ির ঘন্টার শব্দে দিনের কার্যক্রম চালাতেন। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় বোমার আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয় ঘড়িঘরটি। ঝরে পড়ে ঘড়ির সময়-কাঁটা। নষ্ট হয় ভেতরের যন্ত্রপাতি। এরপর ১৬ বছর ধরে নিস্তব্ধ ছিল এটি। ১৯৮৭ সালে প্রবাসীদের উদ্যোগে ফের সচল করা হয় ঐতিহ্যবাহী ঘড়িটি। পরে বিভিন্ন সময়ে অকার্যকর হয়ে পড়লেও ২০১৩ সালের দিকে সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে এবার চালু করা হলেও বছর খানেকের মধ্যেই বিকল হয়ে পড়ে।

আপনার মতামত লিখুন :

আরও পড়ুন

এক বছর বয়সেই পাক্কা রাঁধুনী!
সুনশান শাহী ঈদগাহ! সিলেটের মসজিদসমূহে ঈদের জামায়াত অনুষ্ঠিত
যেভাবে পালন করবেন এবারের ঈদ
মুসলিম বিশ্বে বিষণ্ণ ঈদ
ভাইকে পিঠিয়ে, বোনকে ধর্ষণ
গোয়াইনঘাট সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে এক বাংলাদেশি নিহত

আরও খবর

Shares