জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ১৪ প্রতিশ্রুতিতে যা আছে                 মহাজোট প্রার্থী ড. মোমেনকে আল ইসলাহ’র সমর্থন                 নলেজ হারবার স্কুলে বিজয়ের ছড়া উৎসব                 আটকে গেলো ইলিয়াস আলীর স্ত্রীর ভোট                 ২২০ আসনে জয় দেখছেন জয়                 গাজীপুরে বিএনপি প্রার্থী মিলন গ্রেপ্তার                 তিনে ফিরলেন সৌম্য সরকার                

সিলেটে তৈরি হয়েছে একটি রাজ প্রাসাদ

: সোনার সিলেট
Published: 18 07 2016     Monday   ||   Updated: 18 07 2016     Monday
সিলেটে তৈরি হয়েছে একটি রাজ প্রাসাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক। সোনার সিলেট ডটকম: খবরটি শুনে অনেকেই আশ্চর্য হবেন। । প্রাসাদসম এই বাড়িটির নির্মাণশৈলী মুগ্ধ করেছে গোটা বিশ্ববাসীকে। প্রায় ৮ একর জায়গার উপর নির্মিত এই বাড়ির ছাদে রয়েছে হেলিপ্যাড, আছে সুইমিং পুল, স্টিম বাথ, লিফটসহ আধুনিক  স্নানাগার। প্রায় ২৯টি দেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সমন্বয়ে সিলেট শহরতলীর ইসলামপুরে ‘কাজী প্যালেস’ নামের তিনতলা এ বাড়িটি নির্মাণ করেছেন বিশ্বখ্যাত আল হারামাইন গ্রুপের কর্ণধার, এনআরবি ব্যাংকের চেয়ারম্যান, শিল্পপতি মোহাম্মদ মাহতাবুর রহমান নাসির।

মাহতাবুর রহমান মূলত প্রবাসী। দেশে এসে পরিবারের সবাইকে নিয়ে একসাথে থাকার উদ্দেশ্যেই বাড়িটি নির্মান করেছেন তিনি।। চার দেশের প্রকৌশলীর নকশায় প্রায় আড়াইশ নির্মাণ শ্রমিকের ৮ বছরের পরিশ্রমে নির্মিত হয়েছে এই বাড়িটি। এ বিষয়ে মাহতাবুর রহমান সোনার সিলেট ডটকমকে বলেন, প্রথমে আমি দুবাই থেকে একজন ইঞ্জিনিয়ার নিয়ে এসেছিলাম, উনি প্রথমে ডিজাইনটা করেছিলেন, পরবর্তীতে ইন্টেরিয়র ডিজাইনটা দিয়েছিলাম একজন লেবানিসকে। পুরো বাড়িটির লাইটিং-এর কাজ করেছে জার্মানের কোম্পানি টিফেনি লাইটিং। আর ফ্লোরগুলো করে দিয়েছে ফ্রান্সের একটি কোম্পানী।

নির্মাণ ব্যয় নিয়ে বাড়ির মালিক মাহতাবুর রহমানকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, আমি নিজের ব্যবহারের জন্য বাড়ি করেছি তাই এইটা নির্মাণে কত ব্যয় হয়েছে আমি তা হিসেবে করে দেখিনি। তিনি বলেন, এইটা যদি আমার ব্যবসা হতো তাহলে আমি হিসাব রাখতাম। কতদিয়ে কিনেছি আর কত বিক্রি করবো, লাভ ক্ষতির হিসাব রাখতাম।  বাড়ির প্রয়োজনে যখন যা লেগেছে আমি তা খরচ করেছি। তিনি জানান, ২৯টি মাস্টার বেডের ডিজাইন করা হয়েছে ২৯টি দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের আলোকে।

26091

ইউরোপভিত্তিক একটি টিভি চ্যানেলকে দেয়া স্বাক্ষাৎকারে মাহতাবুর রহমান বলেন, আমি থাকার জন্য বাড়িটি তৈরী করেছি, রুচির মধ্যে যদি ভালো হয়ে যায় তাহলে আমার কিছু করার নাই। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের মধ্যে বড় বাড়ি বানাবো এইটা কখনোই আমার স্বপ্ন ছিলো না। আমার স্বপ্ন ছিলো আমার ভাই-বোনসহ পরিবারের সবাই কোন একটা প্রোগ্রামে একসাথে থাকবো। সেইজন্যই বাড়িটি বানানো।
২০০৮ সালে সিলেটের ইসলামপুর এলাকায় তিনতলাবিশিষ্ট এই বাড়ির কাজ শুরু করা হয়। বাড়ির কাজে প্রকৌশলী ছিলেন দুবাই, ফ্রান্স, লেবানন ও জার্মানির। বাড়ির সকল উপকরণ আনা হয় বিদেশ থেকে। যে দেশের যে উপকরণ, সে দেশের শ্রমিক দিয়ে কাজ করানো হয়েছে বাড়িটিতে। বাড়িটির নির্মাণ ব্যয় নিয়ে রয়েছে রহস্য। কেউ বলছেন বাড়িটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ২০০ কোটি টাকা, আবার কারো মতে সাড়ে ৩শ’ কোটি টাকা। তবে বাড়িটির নির্মাণকাজ সম্পন্ন করা পর্যন্ত প্রায় ৫০০ কোটি টাকা ব্যয় হতে পারে এমন আভাস দিলেন বাড়ির মালিক শিল্পপতি নাসির।

৮ বছর ধরে প্রতিদিন গড়ে প্রায় আড়াইশ শ্রমিক কাজ করে গেছেন বাড়িটি নির্মাণে। বর্তমানে এই বাড়ির নির্মাণকাজ শেষপর্যায়ে। তিন তলা এই ভবনের আয়তন প্রায় ৮০ হাজার স্কয়ার ফুট। প্রায় ৫ হাজার মানুষের অনুষ্ঠান বাড়িতে করার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। পারিবারিক অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য রয়েছে আলাদা আলাদা কক্ষ।




Share Button

আর্কাইভ

December 2018
M T W T F S S
« Nov    
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31  

Prayer Time Table

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ভোর ৫:১০
  • দুপুর ১১:৫৭
  • বিকাল ৩:৩৮
  • সন্ধ্যা ৫:১৭
  • রাত ৬:৩৬
  • ভোর ৬:৩৩


Developed By Mediait