কবির উদ্দিন স্যারে মৃত্যুবার্ষিকী অনুষ্টিত                 এবার যাদের হাতে উঠলো ৯২তম অস্কার পুরস্কার                 ভারতকে হারিয়ে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ                 কলকাতার বইমেলায় উদ্বোধন বাংলাদেশসহ ২০টি দেশ যোগ দিয়েছে                 দেশকে গড়ে তোলার জন্য রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি প্রয়োজন: প্রধানমন্ত্রী                 মৌলভীবাজার অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৫ আহত ১                 বাঁশিতে ফুঁ দিয়ে ও পতাকা উড়িয়ে সিলেটের দুটি ট্রেনে নতুন কোচের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী                

সিলেট থান্ডারের ব্যর্থতার ভর ডুবি

: সোনার সিলেট
Published: 05 01 2020     Sunday   ||   Updated: 28 01 2020     Tuesday
সিলেট থান্ডারের ব্যর্থতার ভর ডুবি

নিজস্ব প্রতিনিধি ।। এগারো ম্যাচ। এক জয়। দশ হার। এই হচ্ছে এবারের বঙ্গবন্ধু বিপিএলে সিলেট থান্ডারের সাফল্য-ব্যর্থতার সংক্ষিপ্ত খতিয়ান। ২০১২ সাল থেকে শুরু হওয়া বিপিএলে এবার হচ্ছে সপ্তম আসর। কিন্তু কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজিকেই এরকম ব্যর্থতায় ডুবে থাকতে দেখা যায়নি। একের পর এক ম্যাচ হারতে হারতে হারের দশক (১০) গড়েছে সিলেট থান্ডার!

বঙ্গবন্ধু বিপিএলের সিলেট পর্বের শেষ দিন ছিল আজ শনিবার। সিলেটে টানা তিন দিন তিনটি ম্যাচ খেলেছে সিলেট থান্ডার। সেখানে তাদের জয় ‘শূন্য’! আজ সিলেট পর্বের শেষ ম্যাচে রাজশাহী রয়্যালসের কাছে তারা হেরেছে ৬ উইকেটে।
সিলেট থান্ডারের করা ১৪৩ রান হাতে ২৯ বল বাকি রেখেই টপকে যায় রাজশাহী রয়্যালস। এ নিয়ে ১০ ম্যাচে ৭ জয় আর ৩ হারে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে বিপিএলের পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে ওঠে এসেছে রাজশাহী। সমান সংখ্যক ম্যাচে সমান পয়েন্ট থাকলেও রানরেটে পিছিয়ে থাকায় চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স চলে গেছে দ্বিতীয় স্থানে। আর মাত্র ২ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার একেবারে নিচের স্থানটি ‘আপন করে রেখেছে’ সিলেট থান্ডার।

সিলেটে আগের দুই ম্যাচে পরে ব্যাট করে সিলেট থান্ডার। কিন্তু জয়ের নাগাল তারা পায়নি। আজ সিলেট পর্বের শেষ ম্যাচে তাই টসে জিতে আগেই ব্যাটিং নিল থান্ডার। কিন্তু পরম আকাক্সিক্ষত জয়ের দেখা পেতে স্কোরবোর্ডে যে রান দরকার, সেটা তাদের ব্যাটসম্যানরা করতে পারলেন কই! সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় শুরু হওয়া ম্যাচে রাজশাহী রয়্যালসের বিপক্ষে ৬ উইকেটে ১৪৩ রান তুলে সিলেট থান্ডার।

বড় স্কোর গড়ে প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলে জয় ছিনিয়ে আনা-এই মন্ত্রই আজ জপছিল সিলেট থান্ডার। কিন্তু বড় স্কোর গড়তে যে ডাকাবুকা ব্যাটিংয়ের প্রয়োজন, তার ছিটেফোটাও ইনিংসের শুরুর ১০ ওভারে দেখা যায়নি। ৫ ওভারে সিলেট থান্ডারের রান ছিল ১ উইকেটে ২৭। ১০ ওভার শেষে ২ উইকেটে ৫৮। অর্থাৎ, রান রেট ওভারপ্রতি ৬ এরও কম! এর মধ্যে আউট হয়ে ফিরে যান আব্দুল মজিদ (১১ বলে ১৬) ও জনসন চার্লস (৭ বলে ৮)। ইনিংসের ১৩তম ওভারের দ্বিতীয় বলে বিদায় নেন দলনায়ক আন্দ্রে ফ্লেচার (৩৩ বলে ২৫)।

সিলেটের রানের চাকা ঘুরে ১৪তম ওভারে। রাজশাহীর অধিনায়ক শোয়েব মালিকের করা ওভার থেকে দুই ছয় আর এক চারে ১৯ রান নেন মোহাম্মদ মিঠুন। তবে এক ওভার পরেই রাদারফোর্ডের সাথে ভুল বোঝাবুঝিতে রান আউট হয়ে ফিরেন মিঠুন (৩৮ বলে ৪৭)। পরের ওভারে নিজের খেলা প্রথম বলেই বোল্ড হয়েই ফিরেন সোহাগ গাজী।
অলক কাপালির করা ওই ওভারের ৪র্থ ও ৫ম বলে ছক্কা হাঁকান রাদারফোর্ড। এর মধ্যে ৫ম বলে হতে পারতো ক্যাচ। কিন্তু লং অনে ফরহাদ রেজা ক্যাচ ছাড়েন; তার হাতে লেগে বল যায় সীমানার বাইরে। ফরহাদকে সরিয়ে সেখানে ফিল্ডিংয়ে যান শোয়েব মালিক। তার হাতেই শেষ বলে ক্যাচ দেন রাদারফোর্ড (১১ বলে ২৫)। শেষ দিকে নাজমুল হোসেন মিলন ১১ বলে ১৩ রান করেন। দেলওয়ার হোসেন ৮ বলে করেন ২ রান! সিলেট করে ৬ উইকেটে ১৪৩।

রাজশাহীর মোহাম্মদ নেওয়াজ দুর্দান্ত বোলিংয়ে ৪ ওভারে মাত্র ১৫ রান দিলেও উইকেট পাননি। মোহাম্মদ ইরফান ৪ ওভারে মাত্র ১৮ রান দিয়ে নেন এক উইকেট। অলক কাপালি এক ওভারে ১৪ রান খরচায় ২টি, আবু জায়েদ রাহী ৪ ওভারে ২৯ রানে ১টি উইকেট নেন।
জবাবে রাজশাহীকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন দুই ওপেনার লিটন দাস আর আফিফ হোসেন। ৩৪ বলে এ দুজন গড়েন ৫৯ রানের জুটি। এরপর রিভিউ নিয়ে লিটনকে (২০ বলে ৪টি চার আর ২টি ছয়ে ৩৬) ফেরান রাদারফোর্ড। এর আগে অবশ্য ফিরতে পারতেন আফিফ। রাদারফোর্ডের করা ইনিংসের ৪র্থ ওভারের শেষ বলে আফিফের ব্যাট ছুঁয়ে বল যায় কিপার মিঠুনের হাতে। মিঠুন ক্যাচের আবেদন করলেও সেটি ছিল দুর্বল। আম্পায়ার তাতে সাড়া দেননি, সিলেটও নেয়নি রিভিউ। পরে রিপ্লেতে দেখা যায়, বল আফিফের ব্যাটেই ছুঁয়েছিল।
আফিফ তখন ১১ রানে ব্যাট করছিলেন। অপ্রত্যাশিত জীবন পেয়ে আফিফ মেলে দেন ডানা। ইবাদত, রাদারফোর্ড, নাজমুল সবাইকে উইকেটের চারপাশে সীমানাছাড়া করতে থাকেন। অবশেষে রান আউটে যখন থামলেন, তখন আফিফের নামের পাশে ৩০ বলে ৮ চারে ৪৬ রান যোগ হয়ে গেছে।
আফিফ বিদায় নিলেও শোয়েব মালিক হয়ে ওঠছিলেন দুর্ধর্ষ। নাজমুল ইসলামের এক ওভারেই বল উড়িয়ে সীমানাছাড়া করেন তিনবার! তাঁকে থামান দেলওয়ার হোসেন। মজিদের হাতে ক্যাচ হওয়ার আগে ২২ বলে ২৭ রান করেন মালিক। ওই ওভারের প্রথম বলেই ইরফান শুক্কুরকে বোল্ড করেছিলেন দেলওয়ার। এক ওভারে দুই উইকেট তুলে নিলেও ততোক্ষণে রাজশাহী পৌঁছে গেছে জয়ের বন্দরের কাছাকাছি। মোহাম্মদ নেওয়াজ ৭ বলে ২টি ছয় আর একটি চারে জয়ের বন্দরকে দ্রুত পৌঁছাতে সাহায্য করেন রাজশাহীকে।
২.১ ওভারে ১১ রানে দুটি উইকেট নেন দেলওয়ার।রাদারফোর্ড ৪ ওভারে ৩১ রানে পান একটি।

সোনার সিলেট.কম/বি এম




Share Button

আর্কাইভ

February 2020
M T W T F S S
« Jan    
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
242526272829  

Prayer Time Table

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ভোর ৫:১০
  • দুপুর ১২:১০
  • বিকাল ৪:১৩
  • সন্ধ্যা ৫:৫৪
  • রাত ৭:০৮
  • ভোর ৬:২২


Developed By Mediait