Header Border

ঢাকা, মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২০ ইং | ২৩শে আষাঢ়, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ (বর্ষাকাল) ২৯°সে

করোনাকালে শিক্ষার্থীদের ভাবনা

করোনাকাল কেমন কাটছে শিক্ষার্থীদের। কে কী করছেন, কে কী ভাবছেন তা নিয়ে সোনার সিলেটের ‘শিক্ষা’ বিভাগের বিশেষ আয়োজন। গ্রন্থনা করেছেন হাবীব হোসেন
এই করোনা মহামারীর দিনগুলি মূলত পরিবারের সাথেই কাটাচ্ছি আর আমার পছন্দের সিনেমাটোগ্রাফি নিয়ে।।দৈনন্দিন ব্যস্ততার ভিড়ে আমারও যে একটি পরিবার আছে,সে কথা প্রায় ভুলতেই বসেছিলাম। এই লকডাউনের দিনগুলি আমাকে, আমার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছে।পৃথিবী নিজেও একটু ছুটিতে বোধ হয়। অনেকটা সময় হলো নিজেকেও একটু সময় দেয়া হচ্ছে না। এখন দিচ্ছি। আমি চাই,পৃথিবীটা আবার হাসিতে ভরে উঠুক।পৃথিবী তার সৌন্দর্য ফিরে পাক।পৃথিবীর বুকে মানবজাতি আবার প্রাণভরে শ্বাস নিয়ে ঘুরে বেড়াক।শিঘ্রই আমার ছোট্ট পরিবারকে নিয়ে দূরে কোথাও পাড়ি জমাবো,কিছুদিনের জন্য।এই পরিবার যে আমার বড্ড আপন।ব্যস্ততা সেটা ভুলিয়ে দিলেও,করোনা আমাকে ঠিকই তা মনে করিয়ে দিলো। এই করোনা কালে বাসায় থেকে আবৃত্তি আর নিজস্ব সিনেমেটোগ্রাফি বেইস্ড ভিডিওস আমার পারসোনাল ইউটিউব চ্যানেলে ভিডিও আপলোড করে সময় পার করতেছি এবং কিভাবে আমরা সচেতন থাকতে পারি,পরিবারের সাথে সময় কাটাতে পারি” এসব বিষয় মূলত আমার লক্ষ্য। সুস্থ হয়ে ওঠো পৃথিবী। আমাকে আমার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেবার জন্য ধন্যবাদ।
তাহসিনা আলি তাপসী
বিবিএ আন্তজার্তিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়,চট্টগ্রাম
নিত্যদিনের রুটিন মাফিক ওঠাবসা,চলাফেরা সবকিছু বদলে গেছে।এখন আর ক্লান্ত হয়ে ফেরা হয় না।রাতে ঘুমাতে যাওয়ার তাড়া নেই ভোরে ওঠবো বলে।এখন বরং ভোরে ঘুমায় উঠবার থাকেনা তাড়া।সব কেমন জানি এলোমেলো হয়ে গেছে,এ অনিয়মের শেষ কোথায় ?খুব নিয়ম করে বেড়ে ওঠাও আজকাল কষ্টের কারণ হয়ে দাড়িয়েছে।কখনো তো ভাবিনি এমন করে বাধা পড়বো অনিয়মের শৃঙ্খলে। কে জানে কোথায় গিয়ে থামবে এই নিস্তব্ধতার সুর,সবাই একসাথে আছি তবুও কেমন বিচ্ছিন্ন,বেঁচে থাকতে বন্ধ করে রেখেছি নিজের ঘরের দোর।।
আসমা সুলতানা
অনার্স ১ম বর্ষ, ইংরেজি বিভাগ রাঙ্গামাটি সরকারি কলেজ
করোনা কালের দিনগুলো ঘরে বন্দী অবস্থা যাচ্ছে। তাই এই বন্দী সময় নিজেকে অন্য কাজে লাগিয়ে নিজের ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছি। যেমন অবসর যখন থাকি তখন ছবি আঁকাআঁকি করি..গল্পের বই পড়ি এবং নাটক ও উপন্যাসের বই ও পড়ি। মাঝে মাঝে কিছু পত্রিকা ও পড়ি। করোনা নিষ্পত্তি হাওয়ায় পর আগামীতে নিজের লক্ষ্য পূরণ করার উদ্দেশ্য।
শিক্ষার্থী রাহিম মিয়া
এমবিপি কলেজ এন্ড হসপিটাল প্যারামেডিকেল দ্বিতীয় সেমিস্টারের লালা বাজার, সিলেট।
 করোনাভাইরাসের জন্য কলেজ বন্ধ যখন দিয়েছে,তার পর থেকে বাড়িতে পড়া লেখার পাশা পাশি বিভিন্ন লেখকদের বই পত্রিকা পড়তেছি। সামান্যা লেখা লেখির শখ থ্রিলার উপন্যাস লেখা শুরে করে মাত্র কয়েকদিন আগে এ উপন্যাস লেখা শেষ হলো। পৃথিবী টিকটাক হলে আাশা করি, আগামী ২১ সালের, ২১শে গ্রন্থবই মেলায় আমার লেখা থ্রিলার উপন্যাসের বই বের হওয়ার কথা রয়েছে। অন্য সময়ে জাতীয় নিউজ পোর্টাল, পত্রিকার সংবাদকর্মী হিসেবে কাজ করতেছি। সৃষ্টিকর্তা আমাদের সকলকে এই মহামারি থেকে রক্ষা করুন এবং পৃথিবী আবার আগের মতো নতুন করে নিজস্ব সাজে রুপান্তির হোক কামনা করি। হাবীব হোসেন
এমবিপি কলেজ এন্ড হসপিটাল এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ এন্ড হসপিটাল সিলেট,বাংলাদেশ
করোনা কালের দিনগুলো অনেকটাই ঘরবন্দী ভাবেই কাটাচ্ছি। তাই ঘরে বসেই পুরোনো অভ্যাসগুলোকে আবারও জাগিয়ে তুলেছি। ছবি আকাঁ, গান করা, আবৃত্তি, লিখালিখি এগুলোর মধ্য দিয়েই নিজেকে ব্যস্ত রাখছি৷ যাতে করে অস্বস্তি না লাগে৷ আগামী দিনগুলোতেও নিজের ভিতরের সুপ্ত ভাবনাগুলোকে রঙ তুলিতে কিংবা কলমের কালিতে নতুন করে রাঙাতে চাই। আফরোজা আলতাফ বৃষ্টি
ইন্টার ১ম বর্ষ শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ডিগ্রি কলেজ ঢাকা, বাংলাদেশ

আপনার মতামত লিখুন :

আরও পড়ুন

দীর্ঘদিন থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহ বন্ধ বিষয়ে শিক্ষার্থীদের ভাবনা
রুলি’র মৃত্যুতে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ : সিলেটে বেড়েছে পাসের হার
এসো বানান শিখি-২ || কামরুল আলম
এসো বানান শিখি-১
সমালোচনার মুখে পূর্বের নোটিশ প্রত্যাহার করলো স্কলার্স হোম

আরও খবর

Shares