Header Border

ঢাকা, রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং | ১২ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ (শরৎকাল) ২৮°সে

লেখক-ব্যবসায়ী আবদুল হান্নান আর নেই

সিলেট নগরীর বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, শিক্ষাবিদ-কবি-ব্যবসায়ী, ইংরেজি দৈনিক ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস-এর ডাইরেক্টর, কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদের জীবন সদস্য অধ্যাপক আবদুল হান্নান সেলিম আর নেই।শুক্রবার (২৮ আগস্ট ২০২০) সকাল সাড়ে নয়টায় সিলেট শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, আমেরিকা প্রবাসী পুত্র ও এক কন্যাসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। শুক্রবার(২৮ আগস্ট ২০২০) বাদ আসর মানিক পীর (রহ.)-এর গোরস্থানে মরহুম আবদুল হান্নানের নামাজে জানাজা শেষে দাফন করা হবে।
মরহুম আবদুল হান্নান সেলিম নগরীর প্রখ্যাত ব্যবসায়ী মহাজনপট্টির আবদুস সাত্তারের পুত্র। তার অনুজ বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ বিএনপি নেতা আবদুর রাজ্জাক।সিলেট শহরে জন্মগ্রহণকারী আবদুল হান্নানের কমজীবনের অধিকাংশ সময় কেটেছে সিলেটের বাইরে। বিশেষ তাঁর ব্যবসায়িক জীবনের একটি বড়ো অংশ চট্টগ্রামে কাটে। তিনি হাডওয়ার ব্যবসায়ীদের কেন্দ্রীয় সভাপতি হিসেবে এফবিসিসিআইতে প্রতিনিধিত্ব করেন।বিশেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, দেশের প্রখ্যাত কবি নিমলেন্দু গুণ প্রমুখের সহপাঠী ছিলেন। অবসর জীবনে তিনি নগরীর ফরহাদ খাঁর পুলের বখতিয়ার বিবি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি ছিলেন।সবশেষ তিনি আহমদ গ্যাস ফিলিং স্টেশন এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর ছিলেন।
ব্যক্তিগত জীবনে অমায়িক-বিনয়ী আবদুল হান্নান সিলেটের ঐতিহ্যবাহী সাহিত্য প্রতিষ্ঠান কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদের সাহিত্য আসর, সিলেট মোবাইল পাঠাগারের সাহিত্য আসরে নিয়মিত অংশগ্রহণ করতেন। তিনি এইসব আসরে স্বরচিত লেখা পাঠ করতেন এবং আলোচনায় অংশগ্রহণ করতেন। কিছুদিন আগে তিনি স্ট্রোক করলে তার কথা জড়িয়ে যেত। কিন্তু তিনি এইসব প্রতিকুলতা এড়িয়ে নিয়মিত সাহিত্য আসরে অংশগ্রহণ করতে থাকেন এবং তার কথার জড়তাও ধীরে ধীরে কেটে যায়।
কবি আবদুল হান্নান একসময় নিয়মিত লেখালেখি করতেন।ব্যবসা বাণিজ্যে জড়িয়ে যাবার পর তার লেখালেখিতে সাময়িক ভাটা পড়ে। কিন্তু সিলেট ফিরে আসার পর তিনি আবার লেখালেখি শুরু করেন।তার শুভাকাঙ্খীরা এ সময় তার বই বের করার জন্যে তাকে চাপ দিতে থাকেন। শুভানুধ্যায়ীদের অনুরোধে তিনি তার জীবনের স্মৃতিকথা লেখতে শুরু করেন।অসুস্থ হবার কিছুদিন আগে তা প্রকাশের জন্যে প্রেসে দেন। সবশেষ তিনি হাসপাতাল থেকে জানান, সুস্থ হবার পর বইয়ের কাজ শুরু করবেন। কিন্তু তা আর সম্ভব হয়নি।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়,করোনার ভয়ে ভীত না হয়ে কবি আবদুল হান্নানের কন্যা হাসপাতালে সাবক্ষণিকভাবে পিতার সেবায় নিয়োজিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন :

আরও পড়ুন

পাপড়ি-করামত আলী তরুণ শিশুসাহিত্য পুরস্কার পেলেন যারা
ইতালিতে নামতে না পারা ১৫১ বাংলাদেশি দেশে ফিরলেন
করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ৩৮ মৃত্যু, শনাক্ত ৩৪৮০
দীর্ঘদিন থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহ বন্ধ বিষয়ে শিক্ষার্থীদের ভাবনা
এক বছর বয়সেই পাক্কা রাঁধুনী!
সুনশান শাহী ঈদগাহ! সিলেটের মসজিদসমূহে ঈদের জামায়াত অনুষ্ঠিত

আরও খবর

Shares