Header Border

সিলেট, রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২০ ইং | ৯ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ (হেমন্তকাল) ৩০°সে

ফেঞ্চুগঞ্জের ২৬ টি গ্রামের আড়াই হাজার পরিবার পানিবন্দি

সোনার সিলেট ডেস্ক ।।  টানা ভারী বর্ষণে কুশিয়ারা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত কুশিয়ারা নদীর পানি ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে (১৭৪) বিপদসীমার ১২২ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিলো বলে নিশ্চিত করেন ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টের গেজ পাঠক মো. গিয়াস উদ্দিন মোল্লা। ক্রমাগত পানি বৃদ্ধিতে প্লাবিত হচ্ছে নতুন নতুন এলাকা, ঘরবাড়ী, প্রধান সড়ক ও জনপথ।

এদিকে ফেঞ্চুগঞ্জের পাঁচ ইউনিয়নের চেয়ারম্যানদের দেয়া তথ্যমতে বন্যায় উপজেলার ৫ টি ইউনিয়নের ২৬ টি গ্রামের প্রায় আড়াই হাজার পরিবার পানিবন্দি রয়েছেন। এখন পর্যন্ত বন্যার্তরা উপজেলার কোন আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নেননি । তবে বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় উপজেলা প্রশাসন থেকে গঠন করা হয়েছে ইউনিয়ন ভিত্তিক ৫ টি টিম। ইতিমধ্যে আক্রান্ত ৫০০ পরিবারের মধ্যে ৫ মেট্রিকটন চাল বিতরণ করা হয়েছে।

ফেঞ্চুগঞ্জ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কাজী মো. বদরুদ্দোজা, মাইজগাঁও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সুফিয়ানুল করিম চৌধুরী, ঘিলাছড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাজী লেইছ চৌধুরী, উত্তর কুশিয়ারা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আহমেদ জিলু ও উত্তর ফেঞ্চুগঞ্জ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. এমরান উদ্দিনের সাথে বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে আলাপকালে জানা যায়- কুশিয়ারা নদীর পানি বাড়ার সাথে সাথে মানুষের ঘরবাড়ী ও রাস্তাঘাট তলিয়ে যাচ্ছে। আক্রান্ত হয়েছে উপজেলার প্রায় ২৬ টি গ্রাম। তবে ইতোমধ্যে উপজেলা প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে কয়েকটি গ্রামে সরকারিভাবে ত্রাণ পৌঁছে দেয়া হয়েছে।

বন্যাকবলিত গ্রামগুলোর মধ্যে রয়েছে-গয়াসী, বাঘমারা, পিঠাইটিকর, ছত্তিশ, উত্তর ইসলামপুর, মনুর টুক (ফেঞ্চুগঞ্জ ইউপি)। বারোহাল, পশ্চিম কর্মধা, পশ্চিম ফরিদপুর, নুরপুর, নওয়াগাঁও, মঈনপুর, মোমিনপুর, গুচ্চগ্রাম (মাইজগাঁও ইউপি), চান্দের বান, পূর্ব যুধিষ্টিপুর, খরিয়ার টিলা, মোকামবাজার (ঘিলাছড়া ইউপি)। সোনাপুর, পূর্ব ইলাশপুর, পাঠানচক, খালিপুতা (উত্তর কুশিয়ারা ইউপি)। গয়াসী, ভেলকোনা, সুড়িকান্দি ও শাইলকান্দি (উত্তর ফেঞ্চুগঞ্জ ইউপি)।

এ ব্যাপারে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জসীম উদ্দিন বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ, বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা ও বন্যা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে ইউনিয়ন ভিত্তিক গঠন করা হয়েছে ৫টি টিম। উপজেলা প্রশাসনের ৩ জন অফিসার ও ৩ জন সহকারীর সমন্বয়ে প্রতিটি টিমে ৬ জন সদস্য রয়েছেন।

বন্যার সার্বক্ষণিক তথ্যের জন্য খোলা হয়েছে কন্ট্রোলরোম। বন্যায় আক্রান্ত ৫০০ পরিবারের মধ্যে ইতিমধ্যে প্রত্যেক পরিবারকে ১০ কেজি করে ৫ মেট্রিকটন চাল বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার সিলেট জেলা প্রশাসন থেকে প্রাপ্ত ৫ মেট্রিকটন চালসহ বর্তমানে ৬ মেট্রিক টন চাল মজুদ রয়েছে বলে জানান ইউএনও মো. জসীম উদ্দিন।

এসএসডিসি/আরডিআর

আপনার মতামত লিখুন :

আরও পড়ুন

আজিজ আহমদ সেলিমের মৃত্যুতে অনলাইন প্রেসক্লাবের শোক
ইছামতি হাইস্কুল প্রতিষ্ঠার ইতিবৃত্ত স্মারক- ইছামতির আলো’র মোড়ক উন্মোচন সম্পন্ন
পাপড়ি-করামত আলী তরুণ শিশুসাহিত্য পুরস্কার পেলেন যারা
লেখক-ব্যবসায়ী আবদুল হান্নান আর নেই
ইতালিতে নামতে না পারা ১৫১ বাংলাদেশি দেশে ফিরলেন
করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ৩৮ মৃত্যু, শনাক্ত ৩৪৮০

আরও খবর

Shares