Header Border

ঢাকা, রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং | ১২ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ (শরৎকাল) ২৮°সে

শুধু ব্যবসা চিন্তায় শিল্প-সাহিত্য হয় না

আবুল হায়াত। বরেণ্য অভিনেতা, নাট্যকার ও নির্দেশক। সম্প্রতি অনলাইনে মুক্তি পেয়েছে তার অভিনীত চলচ্চিত্র ‘যার যার ঘরে থেকে একসাথে’। আফজাল হোসেন পরিচালিত এ চলচ্চিত্র ও অন্যান্য প্রসঙ্গে কথা হয় তার সঙ্গে-
ঘরবন্দি থেকে প্রথম কোনো ছবিতে অভিনয় করলেন। কেমন ছিল ‘যার যার ঘরে থেকে একসাথে’ ছবিতে কাজের অভিজ্ঞতা?

এমন অভিজ্ঞতা সত্যি আগে কখনও হয়নি। ঘরবন্দি থেকে কখনও কোনো নাটক বা ছবির কাজ করব- তা স্বপ্নেও ভাবিনি। কিন্তু এই বিপর্যস্ত সময়ে প্রমাণ হলো, ঘরে বসেও অনেক কিছু করা সম্ভব। নাটক, সিনেমাও পর্যন্ত নির্মাণ করা যায় ঘরে বসে; ‘যার যার ঘরে থেকে একসাথে’ ছবিটি তার বড় প্রমাণ। এতে সবাই সংকটকালের বিচিত্র অনুভবের কথা ব্যক্ত করেছি। মজার বিষয় হলো, শুটিংয়ে ক্যামেরা ধরেছে আমার স্ত্রী। তাকে আমি শুধু ফ্রেম বুঝিয়ে দিয়েছি। স্বামী-স্ত্রী দু’জনে এক ফ্রেমে বসার দৃশ্য ভিডিও করেছেন ঘরের অন্য সদস্যরা। ‘এ শুধু সংকটকাল নয়, লড়াই আত্মোপলব্ধিরও কাল; সকলের তরে সকলে আমরা, প্রত্যেকে মোরা পরের তরে’ এমন স্লোগান নিয়ে নির্মিত এ ছবিতে শিল্পীরা সচেতনতার বার্তা দিয়েছেন। এটি নির্মাণ করছেন আফজাল হোসেন।

ঘরবন্দি সময় কাটছে কী করে?
লেখালেখি, বই পড়া, সিনেমা দেখেই পার করছি। উপন্যাসভিত্তিক বই বেশি পড়া হয়েছে। ‘বেলা শেষে’, ‘ছেলে কার’, ‘সোনার পাহাড়’, ‘রাইকমল’সহ বেশ কিছু ছবি দেখেছি। পাশাপাশি ঈদসংখ্যার জন্য একটা উপন্যাস লিখছি।

করোনায় শুটিং বন্ধের সিদ্ধান্ত ছিল। কেউ কেউ তা অমান্য করে শুটিং করেছেন। পদত্যাগের ঘটনাও ঘটেছে। বিষয়টি আপনি কীভাবে দেখছেন?

সংগঠনের মূল উদ্দেশ্য শিল্পীদের কল্যাণ। একটা নীতিমালার মধ্যে সবাই চলব- এটা মেনেই সব শিল্পী একতাবদ্ধ হয়েছি। যতদূর শুনেছি, যারা শুটিং করেছেন তারা আর্থিক কষ্টে ছিলেন না। তারপরও নিয়ম ভাঙছেন। সংগঠনের নেতাদের প্রতি অনেকের ব্যবহার আশানুরূপ নয়। যে জন্য নেতারা বিব্রত হয়ে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। একবার শুটিং বন্ধ আরেকবার আরম্ভের ঘোষণা এসেছে। এটা মৃত্যুকে আমন্ত্রণ জানানো ছাড়া আর কিছুই নয়। আমাদের আরও ধৈর্য ধরতে হবে।

বিটিভিতে তিন দশক আগের নাটক দেখানো হচ্ছে। এখনও দর্শকরা ওই নাটকগুলোর প্রশংসা করছেন। কিন্তু এখনকার…

আগের নাটকগুলো এত প্রফেশনাল নাটক ছিল না। শিল্পীরা ভালোবেসে কাজ করতেন। টাকার লোভ কম ছিল। যারা লিখতেন, তারা প্রাণ দিয়ে লিখতেন। হৃদয় ছুঁয়ে যেত। কিন্তু এখন অনেকে লোভে পড়ে নাটক করছি। যার ফলে মান বিচার করছি না। যে কারণেই এখনকার নাটক দর্শকের হৃদয় ছুঁয়ে যায় না। মোদ্দাকথা হলো, শুধু ব্যবসা চিন্তায় শিল্প সাহিত্য হয় না।–সমকাল

আপনার মতামত লিখুন :

আরও পড়ুন

চার শুটিং হাউসে একটি ধারাবাহিকের নির্মাণ
এক বছর বয়সেই পাক্কা রাঁধুনী!
শাকিবের রাজত্বেও করোনার হানা
করোনায় ঈদে হানিফ সংকেতের অন্যরকম ‘ইত্যাদি’
করোনার ঈদে মোশাররফ করিমের ১৮টি নাটক
দুই শতাধিক দেশে মুক্তি পাচ্ছে অমিতাভের ‘গুলাবো সিতাবো’

আরও খবর

Shares