সোনার সিলেট

আইন সহায়তা কেন্দ্র (আসক) ফাউন্ডেশন সিলেট জেলার মতবিনিময় সভা সম্পন্ন

Published: 22 01 2019   10:59:31 PM   Tuesday   ||   Updated: 22 01 2019   10:59:31 PM   Tuesday
আইন সহায়তা কেন্দ্র (আসক) ফাউন্ডেশন সিলেট জেলার মতবিনিময় সভা সম্পন্ন

জুবায়ের আহমদ।।  আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা “আইন সহায়তা কেন্দ্র (আসক) ফাউন্ডেশন” সিলেট জেলা শাখার ২০১৯ সালের নবগঠিত কমিটির সদস্যদের নিয়ে মতবিনিময় সভা সম্পন্ন হয়েছে। ২২/০১/১৯ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সিলেট নগরীর একটি অভিজাত রেস্টুরেন্টে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। আইন সহায়তা কেন্দ্র (আসক) ফাউন্ডেশন সিলেট জেলা সভাপতি জনাব কবির আহমদের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি আবু হুরায়রা চৌধুরী জাবের এর পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবী ও যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী জনাব মুহিবুর রহমান। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট বাণী পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক ও সিলেট প্রেসক্লাবের সহঃ সভাপতি জনাব এম.এ হান্নান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্তিত ছিলেন উইমেন্স মেডিকেল কলেজের সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ হোসাইন আহমদ, দৈনিক সমকালের সিনিয়র সাংবাদিক কাউসার আহমদ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জনাব মুহিবুর রহমান বলেন, “অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসা যেমন একজন নাগরিকের মৌলিক অধিকার ঠিক তেমনি আইনি সহায়তা পাওয়াও তার অধিকার। সেই অধিকার পূরণের অঙ্গীকার নিয়ে একত্রিত হয়েছি আমরা। তাই মানুষের প্রয়োজনে, অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে সর্বদা সচেষ্ট থাকতে হবে আমাদের।”

সভাপতির বক্তব্যে কবির আহমদ বলেন, “মানুষের মানবিকতা যখন চিরাচরিত ধারা থেকে অন্য উদ্দেশ্যে প্রবাহিত হতে শুরু করে ঠিক তখনই লুন্ঠিত হয় অন্যের অধিকার। তাই “অসহায় মানুষের আইনগত সহায়তাসহ সার্বিক সহায়তা করাই আমাদের অঙ্গীকার” আর এই অঙ্গীকার পূরণে বদ্ধপরিকর থাকবে আইন সহায়তা কেন্দ্র (আসক) ফাউন্ডেশন। এছাড়া বক্তব্য রাখেন ফাউন্ডেশনের সিলেট জেলা শাখার অফিস সম্পাদক জুবায়ের আহমদ, অর্থ সম্পাদক কামাল মিয়া, আয়াতুল্লাহ খমিনি, ইমাম হোসাইন, কাওসার আহমদ।

অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আরিফুল ইসলাম, আইয়ুব আলী, ময়নুল ইসলাম, হাবিব আহমদ, আলী রেজা, সাব্বির আহমদ, মাহফুজ আহমদ, ইমন আহমদ, নাজমুল ইসলাম প্রমুখ।

এসএসডিসি/ আহমদ জুয়েল

সোনার সিলেট

মানব সেবায় সমাজের সকল বিত্তবানদের এগিয়ে আসতে হবে —-আলী মিরাজ মোস্তাক

Published:   3:35:22 PM   Tuesday   ||   Updated: 22 01 2019   3:35:22 PM   Tuesday
মানব সেবায় সমাজের সকল  বিত্তবানদের এগিয়ে আসতে হবে —-আলী মিরাজ মোস্তাক

মাহমুদ পারভেজ: রোটারী ক্লাব অব সিলেট গ্রীণ এর জানুয়ারী মাসের ৩৩তম প্রজেক্ট সম্পন্ন হয়েছে। আজ মঙ্গলবার আম্বরখানায় রোটারী ক্লাব অব সিলেট গ্রীণ এর উদ্যোগে একটি অসহায় পরিবার কে তিন বস্তা চাউল, ডাল, তেল, পিয়াজসহ ভুসিমাল সামগ্রী প্রদান করা হয় এবং একই পরিবারকে আর্থিক সহায়তা বাবদ নগদ ১০ হাজার টাকা প্রদান করা হয়।
রোটারী ক্লাব অব সিলেট গ্রীণ এর সভাপতি রোটারিয়ান আলী মিরাজ মোস্তাক এর সভাপতিত্বে এতে উপস্থিত ছিলেন ক্লাব আই পি পি আতাউর রহমান ভুইয়া, ক্লাব সেক্রেটারী হায়দার বক্স খান, ক্লাব ট্রেজারার মোঃ জোমান তারেক, ক্লাব সার্জেন্ট রোটারিয়ান কবির আহমেদ, রোটারিয়ান আক্তার হুসেন, রোটারিয়ান সোহরাব আলী, রোটারিয়ান কামরান আহমেদ মিঠু প্রমুখ।

সভাপতির বক্তব্যে রোটারিয়ান আলী মিরাজ মোস্তাক বলেন, মানব সেবায় সমাজের সকল বিত্তবানদের এগিয়ে আসতে হবে। এ সমাজের অসহায় মানুষের কল্যাণে বিত্তবানরা নিবেদিত হলে সমাজে আর কোন অসহায় মানুষ থাকবেনা। এদেশকে স্বনির্ভর ও উন্নত দেশ হিসেবে গড়তে হলে আমাদেরকে সর্বপ্রথম অসহায় মানুষের কল্যাণে আসতে হবে।

 

সোনার সিলেট

রোটারি ক্লাব অব সিলেট গ্রীণ এর উদ্যোগে  শীতবস্ত্র, কম্বল ও শাড়ী বিতরণ

Published: 21 01 2019   5:56:13 PM   Monday   ||   Updated: 21 01 2019   5:56:13 PM   Monday
রোটারি ক্লাব অব সিলেট গ্রীণ এর উদ্যোগে  শীতবস্ত্র, কম্বল ও শাড়ী বিতরণ
রোটারি ক্লাব অব সিলেট গ্রীণ এর উদ্যোগে পথশিশু, প্রতিবন্ধী ও রাতে রাস্তায় শুয়ে থাকা ভাসমান মানুষদের শীতবস্ত্র,কম্বল ও শাড়ী বিতরণ করেছে। গত শনিবার রাত ১২টার পরে নগরীর আম্বরখানা ও চৌহাট্টায় এসব মানবিক প্রজেক্ট বিতরণের মাধ্যমে এই জানুয়ারী মাসেই রোটারী ক্লাব অব সিলেট গ্রীণ তাদের ৩২ তম প্রজেক্ট সম্পন্ন করলো।।
রোটারি ক্লাব অব সিলেট গ্রীণ এর প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান আলী মিরাজ মোস্তাকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রজেক্টে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি গভর্নর রোটারিয়ান সেলিম খান, জালালাবাদ রোটারি ক্লাবের পাস্ট প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান হানিফ মোহাম্মদ, জালালাবাদ ক্লাবের রোটারিয়ান মঞ্জুর আল বাসিত, পাইওনিয়ারের পাস্ট  প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান আব্দুস সালাম, রোটারি ক্লাব অব সিলেট গ্রীণ এর আই পি পি রোটারিয়ান আতাউর রহমান মিলন,  পাইওনিয়ারের পাস্ট প্রেসিডেন্ট  রোটারিয়ান আব্দুল্লাহ আল জাকির, রোটারী ক্লাব অব শ্যামল সিলেটের প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান আব্দুল কাদির, রোটারী ক্লাব অর গ্রীণ সিটির প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান কবিরুল ইসলাম, রোটারী ক্লাব অব সিলেট পাইওনিয়ারের প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান রাহিম ইসলাম মিসলু, রোটারী ক্লাব অব মেট্রোপলিটন সিলেটের প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান নমিনী রেহান উদ্দিন রায়হান, রোটারী ক্লাব অব সিলেট পাইওনিয়ারের প্রেসিডেন্ট ইলেক্ট মাহবুব ইকবালমুন্না, রোটারি ক্লাব অব সিলেট গ্রীণ এর সেক্রেটারি রোটারিয়ান  হায়দার বক্স খান, ক্লাব ট্রেজারার রোটারিয়ান মোঃ জোমান তারেক, জয়েন সেক্রেটারী রোটারিয়ান গৌছ উদ্দিন, ক্লাবের এক্টিভ মেম্বার রোটারিয়ান সোহরাব আলী, রোটারিয়ান প্রসেঞ্জিত চৌধুরী, রোটারিয়ান মোশারফ হুসেন, রোটারিয়ান বিশ্বজিত দে টিটু, আক্তার হোসেন, রোটারিয়ান শাখাওয়াত হুসেন, রোটারিয়ান লিয়াকত আলী,কামরান আহমেদ মিঠু  প্রমুখ। ক্লাব প্রেসিডেন্ট আলী মিরাজ মোস্তাক  এই মানবিক কাজে উপস্থিত হওয়ার জন্য সকল রোটারিয়ানবৃন্দ কে  ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
সোনার সিলেট

রোটারী ক্লাব অব সিলেট গ্রীণের উদ্যোগে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী কে সহায়তা প্রদান

Published: 19 01 2019   8:02:53 PM   Saturday   ||   Updated: 19 01 2019   8:02:53 PM   Saturday
রোটারী ক্লাব অব সিলেট গ্রীণের উদ্যোগে  ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী কে সহায়তা প্রদান

মাহমুদ পারভেজ : রোটারী ক্লাব অব সিলেট গ্রীণ এর উদ্যোগে একটি অসহায় পরিবারকে ব্যাবসা সম্প্রসারণের মাধ্যমে পরিবারে স্বচ্ছলতা আনার জন্য নগদ অর্থ প্রদান করা হয়। আজ শনিবার বিকের ৩ ঘটিকায় সিলেটের দক্ষিণ সুরমার মংলাবাজারের মির্জাপুরে এ নগদ অর্থ প্রদান করা হয়। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মোঃ জানু মিয়াকে নতুন করে ব্যবসা শুরু করার জন্য তার পরিবারে আর্থিক স্বচ্ছলতা ফিরিয়ে আনার জন্য এ অর্থ প্র্রদান করা হয়।
ক্লাব সভাপতি রোটারিয়ান আলী মিরাজ মোস্তাক পি এইচ এফ এর সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাস্ট ডিস্ট্রিক্ট এসিস্ট্যান্ট গভর্ণর রোটারিয়ান মোশারফ হোসেন জাহাংগীর।
ক্লাব ট্রেজারার রোটারিয়ান মোঃ জোমান তারেক এর পরিচালনায় উক্ত অনুস্টানে উপস্থিত ছিলেন ক্লাব আই পি পি রোটারিয়ান আতাউর রহমান ভুঁইয়া মিলন,রোটারিয়ান কবির আহমেদ,রোটারিয়ান সোহরাব আলী,রোটারিয়ান আক্তার হুসেন,রোটারিয়ান আব্দুস সাত্তার,রোটারিয়ান মোশারফ হুসেন, মোঃ সুমন আহমেদ,কামরান আহমেদ মিঠু,ফয়সল আহমেদ প্রমুখ।

সোনার সিলেট

বিহঙ্গ তরুণ সংঘের ৩৬ তম প্রতিষ্টা বার্ষিকী উপলক্ষে ক্রীড়া প্রতিযোগীতা অনুষ্টিত

Published:   7:53:36 PM   Saturday   ||   Updated: 19 01 2019   10:24:27 PM   Saturday
বিহঙ্গ তরুণ সংঘের ৩৬ তম প্রতিষ্টা বার্ষিকী উপলক্ষে ক্রীড়া প্রতিযোগীতা অনুষ্টিত

সোনার সিলেট ডেস্ক।। সিলেট নগরীর ঐতিহ্যবাহি সংগঠন বিহঙ্গ তরুণ সংঘের ৩৬ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে আজ শুক্রবার দিনব্যাপী এক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। দিনব্যাপী এ আয়োজনে ছিল ছোট বড় সকলের জন্য বিভিন্ন ধরণের ইভেন্ট। প্রথমে বিহঙ্গের সভাপতি জনাব বেলায়াত হোসেন চৌধুরী অনুষ্ঠানের উদ্ভোধন করেন। বিহঙ্গের সমাজ কল্যাণ সম্পাদক জনাব দিলাল আহমেদ ও সাবেক মহিলা সম্পাদীকা জনাবা কারনাজ জিহান এর যৌথ পরিচালনায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংঘের সহ-সভাপতি দ্রুব গৌতম, সাধারণ সম্পাদক জনাব মকসুদ আহমদ,সহ-সাধারণ সম্পাদক মোস্তাক আহমেদ মিলাদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহবুব হাসান (সানী),শিক্ষা সম্পাদক মিহদা বেলায়াত চৌঃ, দপ্তর সম্পাদক ফিরুজ আহমফ ফয়ছল, প্রচার সম্পাদক ফয়ছাল আহমদ শিহাব,ক্রীড়া সম্পাদক সাফকাত আহমদ চৌঃ প্রমুখ।

এসএসডিসি/ আহমদ জুয়েল

সোনার সিলেট

আলোকিত বাংলাদেশে’র উদ্যোগে শীত বস্ত্র বিতরণ

Published:   7:07:00 PM   Saturday   ||   Updated: 19 01 2019   7:15:16 PM   Saturday
আলোকিত বাংলাদেশে’র উদ্যোগে শীত বস্ত্র বিতরণ

স্টাফ রিপোর্টার।। সামাজিক সংগঠন  আলোকিত বাংলাদেশে’র  উ‌দ্যো‌গে সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। সিলেটের জালালাবাদ থানার ১ নং জালালাবাদ ইউনিয়ন কেন্দ্রিক গঠিত আলোকিত বাংলাদেশ শীত বস্ত্র বিতরণের মাধ্যমে তাদের আনুষ্টানিক কার্যক্রম শুরু করে। ১৯ শে জুন শনিবার বেলা ২ দুইটায় ১ নং জালালাবাদ ইউনিয়নের হল রুমে শীত বস্ত্র বিতরণ করা হয়।

সংগঠনটির সভাপতি ফয়সল আহমদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক হাবিব আরিয়ানের সঞ্চালনায় প্রধান অথিতির বক্তব্য রাখেন সিলেট সদরে উপজেলার চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আশফাক আহমদ। প্রধান অথিতির বক্তব্য জনাব আশফাক বলেন,‘আগামীর বাংলাদেশ গড়তে হলে তরুণদের এগিয়ে আসতে হবে। যদি তরুণরা এরকম সামাজিক কাজে এগিয়ে আসে তবেই গড়ে উঠবে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের আলোকিত বাংলাদেশ” । অনুষ্টানে আরো বক্তব্য রাখেন, জালালাবাদ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হারুনুর রশীদ, শাহজালাল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফখর উদ্দিন, প্রবীণ মুরব্বী মছদ্দর আলী , ইসহাক আলী, গেদন মিয়া সহ আরো অনেকেই। এছাড়াও সংগঠনটির সকল সদস্যরা উপস্তিথ ‍ছিলেন।

শীত বস্ত্র বিতরণ সভাপতির বক্তব্যর মাধ্যমে শেষ হয়। তিনি এ কাজে সহযোগিতার জন্য সংগঠনের সদস্যদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

এসএসডিসি/ আহমদ জুয়েল

সোনার সিলেট

কেউ নেই মুহিতের পাশে

Published: 18 01 2019   8:53:36 PM   Friday   ||   Updated: 18 01 2019   8:53:36 PM   Friday
কেউ নেই মুহিতের পাশে

সোনার সিলেট ডেস্ক।। সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত আজ শুক্রবার যখন সিলেটে ফিরলেন তখন তার হুইল চেয়ার ধরার মতোও ছিল না কেউ। সাবেক এপিএস জনিকে নিয়ে একা একাই ওসমানী বিমানবন্দর ত্যাগ করেন তিনি।

অথচ মাত্র কয়েক দিন আগেও এই মন্ত্রীকে-ই ঘিরে নেতাকর্মীদের জটলা লেগেই থাকতো। ঢাকা থেকে সিলেট ফিরলে ভিড় লেগে থাকতো ওসমানী বিমানবন্দরে। ভিআইপি লাউঞ্জে পড়ে যেত হুড়োহুড়ি-ধাক্কাধাক্কি। গলা ফাটানো স্লোগানে স্লোগানে মুখর হয়ে উঠতো বিমানবন্দর এলাকা। মোটর শোভাযাত্রা সহকারে তাকে নিয়ে আসা হতো বাসায়। তার সিলেট যাওয়ার শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়াটাই সবাই নিজেকে ভাগ্যের মনে করতো। রীতিমতো প্রতিযোগিতা চলতো। কিভাবে তার সুনজরে আসা যায়। কিন্তু মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে চিত্র অন্যরকম। বাসাই ফিরতে হয় একাই হুইল চেয়ারে চড়ে।

গেল মন্ত্রিসভার প্রভাবশালী মন্ত্রী মুহিতকে ঘিরে সবসময়ই আনাগোনা থাকতো সু-সময়ের বন্ধুদের। কিন্তু মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়তে না পড়তেই তারাও ভুলে গেছেন মুহিতকে।

আজ শুক্রবার বেলা একটা ৫০ মিনিটের সময় নভোএয়ারের একটি ফ্লাইটে ঢাকা থেকে সিলেট যান আবুল মাল আবদুল মুহিত। বিমান থেকে নেমে হুইল চেয়ারে করে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় ভিআইপি লাউঞ্জে। জনশূন্য ভিআইপি লাউঞ্জ তখন অনেকটা অপরিচিতই মনে হচ্ছিল মুহিতের কাছে।
চিরচেনা পরিচিতমুখগুলো দেখতে না পেয়ে অনেকটা হতাশই মনে হচ্ছিল সাবেক এই অর্থমন্ত্রীকে। এতদিন যাদেরকে ‘কাছের মানুষ’ হিসেবে জানতেন তাদের মুখোশের অন্তরালের চেহারাটা হয়তো তখন ভাসছিল তার মনোচোখে!

তবে তথাকথিত সেই ‘কাছের মানুষদের’ মধ্যে একমাত্র ব্যতিক্রম ছিলেন বাফুফের কার্যনির্বাহী সদস্য ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মাহি উদ্দিন আহমদ সেলিম। ভিআইপি লাউঞ্জের গেটে একমাত্র তিনিই স্বাগত জানান। পরে সাবেক অর্থমন্ত্রী মুহিত বিমানবন্দর থেকে চলে যান সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। সেখানে বসে দেখেন সিলেট সিক্সার্স ও ঢাকা ডায়নামাইটসের ম্যাচ।

সোনার সিলেট

রোটারি ক্লাব অব সিলেট গ্রীন-এর রোটারি কাব অব সিলেট গ্রীন-এর উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ

Published: 17 01 2019   8:26:01 PM   Thursday   ||   Updated: 17 01 2019   8:26:01 PM   Thursday
রোটারি ক্লাব অব সিলেট গ্রীন-এর রোটারি কাব অব সিলেট গ্রীন-এর উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ

সমাজের অসহায় মানুষের কল্যাণে কাজ করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। সুবিধা বঞ্চিত মানুষেরা আমাদের সমাজেরই অংশ। তাদের জীবন মান উন্নয়নে সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসতে হবে। কেননা, তাদের উন্নয়ন ছাড়া সমাজের উন্নয়ন কল্পনা করা যায়না। রোটারি ক্লাব অব সিলেট গ্রীন-এর উদ্যোগে অসহায় গরীব মানুষের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণকালে বক্তরা একথা বলেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় সিলেটের আম্বরখানায় উক্ত শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়। শীতবস্ত্রের মধ্যে ছিল সোয়েটার, জ্যাকেট, কম্বল এবং বালিশ।
রোটারি ক্লাব অব সিলেট গ্রীন-এর প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান আলী মিরাজ মোস্তাক এর সভাপতিত্বে ও ক্লাব ট্রেজারার মোঃ জোমান তারেক এর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাস্ট ডিস্ট্রিক্ট এসিসট্যান্ট গভর্নর রোটারিয়ান মোশারফ হোসেন জাহাঙ্গীর। এছাড়াও অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কাব আইপিপি আতাউর রহমান ভুঁইয়া, রোটারিয়ান কবির আহমেদ, মোঃ সুমন আহমেদ, কামরান আহমেদ মিঠু, ফয়সল আহমেদ প্রমুখ।

সোনার সিলেট

রোটারি ক্লাব অব সিলেট গ্রীন-এর উদ্যোগে বিবাহ সহায়তা প্রদান

Published: 16 01 2019   6:42:17 PM   Wednesday   ||   Updated: 16 01 2019   8:02:39 PM   Wednesday
রোটারি ক্লাব অব সিলেট গ্রীন-এর উদ্যোগে বিবাহ সহায়তা প্রদান

মাহমুদ পারভেজ: রোটারি  ক্লাব অব সিলেট গ্রীন-এর উদ্যোগে এক অসহায় পরিবারের মেয়ের বিয়েতে সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। আজ বুধবার সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার ঢাকা দক্ষিণে অবস্থিত একটি পরিবারকে সহায়তা হিসেবে ফার্ণিচার সামগ্রী প্রদান করা হয়। ফার্ণিচার সামগ্রীর মধ্যে ছিল খাট, সোফাসেট, ড্রেসিং টেবিল, ওয়াড্রোব, ডাইনিং টেবিল, ৬ টা চেয়ার ইত্যাদি। ফার্নিচারগুলো সুবিদবাজারে উক্ত পরিবারের লোকের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

আর্ত মানবতায় নিবেদিত সংগঠন রোটারি ক্লাব অব সিলেট গ্রীন-এর প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান আলী মেরাজ মোস্তাক এর নেতৃত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন আইপিপি আতাউর রহমান ভুইয়া, ক্লাব ট্রেজারার রোটারিয়ান মো: জুম্মান তারেক, জয়েন সেক্রেটারি রোটারিয়ান গৌছ উদ্দিন, রোটারিয়ান মুন্না আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

 

সোনার সিলেট

প্রসঙ্গ : সিলেটবাসীর চাওয়া পাওয়া

Published: 15 01 2019   6:16:46 PM   Tuesday   ||   Updated: 15 01 2019   6:16:46 PM   Tuesday
প্রসঙ্গ : সিলেটবাসীর চাওয়া পাওয়া

এম আশরাফ আলী: দু’টি পাতা একটি কুঁড়ির দেশ সিলেট। বাংলাদেশের আধ্যাত্মিক রাজধানী বলে খ্যাত ‘সিলেট শরীফ’ সবার কাছে সম্মানের জায়গা। সিলেট মানে অনন্য সুখের জায়গা। শান্তি, সমৃদ্ধি, পারস্পরিক সৌহার্দ্যপূর্ণ সহাবস্থান সিলেটকে নিয়ে গেছে এক অনন্য উচ্চতায়। সবার মাঝে একটা ধারণা সিলেট-১ আসনে যে দলের প্রার্থী জয়ী হন সেই দলই সরকার গঠন করে। এবারও হয়েছে তাই। ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগ তৃতীয়বারের মত ক্ষমতায় দাপটের সাথে অধিষ্ঠিত। স্বাগতম ২০১৯। স্বাগতম নতুন সরকার।
দেশে বিদেশে সিলেটের একটা সুনাম রয়েছে। প্রবাসী অধ্যুষিত এই এলাকার অধিকাংশ লোক ধনাঢ্য। দেশের মোট আয়ের প্রায় এক তৃতীয়াংশ যোগান দেয় সিলেটীরা। সবাই প্রশংসা করেন। কিন্তু যে বাতি আলো দূর করে সে বাতির নিচের অন্ধকার কারো চোখে পড়ে না। ধনী লোক সিলেটে আছেন এটা সত্য। কিন্তু গরীব লোকের সংখ্যা কেউ দেখেনা। আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপটে সিলেটের গরীবরা দারুণভাবে নিষ্পেষিত-এ খবর কেউ রাখেনা। যাদের ইনকাম দিনে চারশ আর যাদের ইনকাম দিনে চার হাজার তাদের জন্য বাজার দরে তো কোন তারতম্য নেই। চারশ টাকা ইনকামের লোকজনের জন্য মাছের কেজি দু’শ টাকা হলে চার হাজার টাকা ইনকামের লোকজনের জন্যও দু’শ টাকা। এ ছাড়া সামাজিক আচার অনুষ্ঠান ব্যয়বহুল থাকায় গরীবদের অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয়। বিয়ে-শাদি-পার্টি ইত্যাদি ধনীরা যেভাবে উদযাপন করছেন এগুলোর প্রভাব কিন্তু গরীবদের উপর মারাত্মকভাবে পড়ছে। প্রায় সবাই ধনীদের সাথে তাল মেলাতে গিয়ে নিঃস্ব থেকে নিঃস্বতর হচ্ছে। কারণ অনুষ্ঠান আয়োজন জাঁকজমকপূর্ণ-করতে গিয়ে অন্যের কাছ থেকে ধার কর্জ করতে হচ্ছে। ফলে ওরা পরিণতিতে জমিজমা এমনকি ভিটেমাটি পর্যন্ত হারাতে হচ্ছে।
সিলেটের টাকায় দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হলেও সিলেটের সাধারণ জনগণের আর্থ সামাজিক উন্নয়ন এখনও তেমনটা ঘটেনি। সেই বৃটিশ আমলে স্থাপিত ছাতক সিমেন্ট ফ্যাক্টরী আর ফেঞ্চুগঞ্জ সারকারখানা বাদে আজও কোন বৃহৎ শিল্প গড়ে উঠেনি। ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা সহ মহানগরগুলোতে শিল্পায়ন হলেও আমাদের সিলেট অঞ্চল এ ব্যাপারে মারাত্মকভাবে পিছিয়ে রয়েছে। ফলে সরকারি চাকরির সুযোগ তো হচ্ছেই না এমন কি সরকারি আধা সরকারি, সামরিক, আধা-সামরিক, পুলিশ-আনসার এসব প্রতিষ্ঠানেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সিলেটী নেই বললেই চলে। সিলেট ব্যতীত অন্যান্য জেলার লোকজন চাকরি ক্ষেত্রে এগিয়ে রয়েছে। কিন্তু আমাদের সিলেটীদের একটি বদনাম রটে গেছে সেটা হচ্ছে সিলেটীরা চাকরি করে না। সবাই বিদেশমুখী। কথাটা পুরোপুরি সত্য নয়। সিলেটের শিক্ষিত যুবকরা চাকরি বাকরি না পেয়েই মূলত বিদেশমুখী হচ্ছে। সিলেটের মন্ত্রী-মিনিস্টারসহ যারা ক্ষমতায় থাকেন তারাতো আর সামান্য চাকরি বাকরির জন্য বা কোন ছোটখাটো বরাদ্দের জন্য মুখ ফেলতে পারেন না। কারণ সিলেটী বলে কথা। ইজ্জত সম্মান আছে না! কিন্তু আমরা দেখি বিভিন্ন জায়গায় পাওয়ারফুল মানুষেরা তাদের পাড়া পড়শি বা এলাকার লোকজনকে হরহামেশা চাকরি বাকরি পাইয়ে দিতে বেশ তৎপর।
আমাদের ছেলে মেয়েরা চাকরি-বাকরি না পেয়ে হতাশ হয়ে বিভিন্ন দেশের এম্বেসিতে ধর্না দিচ্ছে। আমাদের দেশে অবস্থিত বিদেশি এম্বেসি বা ইন্ডিয়ায় অবস্থিত বিভিন্ন দেশের এম্বেসিতে ভিসার জন্য ধর্না দিচ্ছে। ফলে ইন্ডিয়া গিয়ে লাখ লাখ টাকা খরচ করছে। বর্তমানে ইন্ডিয়ান ভিসা পেতেও বেশ খরচা পাতি লাগে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে আমাদের ছেলে মেয়ে ভিসা না পেয়ে ব্যর্থ হয়ে ফিরছে। আর এই সুযোগে আদম ব্যাপারিরা হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা। বিভিন্ন মার্কেটে অনমোদিত অজ¯্র ট্র্যাভেলস খুলে দালাল চক্র গড়ে তুলেছে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। ফলে সাধারণ মানুষ বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই প্রতারিত হচ্ছে।
ছেলে মেয়ের গার্জিয়ানরা আত্মীয়-স্বজন থেকে টাকা সংগ্রহ করেও চাচ্ছে ছেলেমেয়েদের প্রতিষ্ঠিত করতে। কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই লক্ষ লক্ষ টাকা খুঁইয়ে অনেকেই পথে বসছে।
সিলেট অঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে ঊ.চ.ত জোন, গার্মেন্টস ফ্যাক্টরী, ভারি শিল্প কারখানা প্রতিষ্ঠিত হলে হাজার হাজার বেকার যুবক-যুব মহিলা চাকরি বাকরি করে তাদের আর্থ সামাজিক উন্নয়ন ঘটাতে পারত।
বর্তমান সরকারের মন্ত্রীসভায় সিলেটের পাঁচ পাঁচ জন এমপি স্থান করে নিয়েছেন। তা দেখে আমরা সিলেটবাসী গৌরবান্বিত বোধ করছি। পাশাপাশি এ অঞ্চলের আপামর জনসাধারণের আশা-আকাঙ্খাও বেড়ে গেছে। এই অঞ্চলের সাধারণ মানুষের ভাগ্য বিড়ম্বনা লাঘবের ক্ষেত্রে নেতৃবৃন্দ উদ্যোগী হবেন-এ প্রত্যাশায় দিন গুনছে সবাই। ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপকার বিশ্বনেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফল নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। সেই এগিয়ে যাওয়ার ¯্রােতে সিলেটের সাধারণ মানুষকে শরীক করতে তাদের বেকারত্ব দূরীকরণে বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নিবেন এটাই জনগণের চাওয়া। মন্ত্রী-এমপি মহোদয়গণ বৃহত্তর সিলেটবাসীর আশা আকাংখার বাস্তব প্রতিফলন ঘটাবেন। সাধারণ মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে, বেকারত্ব দূরীকরণে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করবেন, হতাশাগ্রস্ত লক্ষ লক্ষ বেকার ছেলেমেয়ে যাতে কর্মক্ষেত্র পায়, দেশেই তাদের মেধা, যোগ্যতা প্রমাণ করতে পারে, এই দৃষ্টিকোণ থেকে স্ব-স্ব অবস্থানে থেকে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সচেষ্ট হউন-এই চাওয়াটুকু সকলের। বঞ্চিত সিলেটবাসী নিতান্ত জীবিকা নির্বাহের তাগিদেই অতি কষ্টের প্রবাস জীবন বেছে নিতে হয়। যারা প্রবাস জীবন যাপন করছেন তারা অবশ্যই স্বীকার করবেন এটা কত কষ্টসাধ্য। কোটি কোটি টাকা অলস অবস্থা থেকে মানুষের মৌলিক প্রয়োজন মেটাতে কাজে লাগুক, দেশের সার্বিক উন্নয়নে এগুলো কাজে লাগুক, সিলেটবাসী নিজ দেশেই কর্মসংস্থান পাক এই প্রত্যাশা সকলের।
লেখক : কলামিস্ট

printars line
সর্বস্বত্ব www.begum24.com কর্তৃক সংরক্ষিত
সোনার সিলেট