২৭শে নভেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ বিকাল ৫:৩৭

শাবিতে উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ শুরুর আগেই মেয়াদ শেষ

সোনার সিলেট ডটকম
  • আপডেট রবিবার, সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২২,
  • 48 বার পঠিত

দেশের অন্যতম বিদ্যাপীঠ শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। উত্তর পূর্বাঞ্চলীয় সিলেটের এই উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অবকাঠামোর সংকটে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ প্রতিনিয়িত। সেই দুর্ভোগ লাঘবে প্রায় ১২’শ কোটি টাকার দুটি উন্নয়ন প্রকল্প চলছে ধীর গতিতে। কাজ শুরুর আগেই শেষ হয়েছে প্রকল্প মেয়াদ।

অধিকতর উন্নয়নের জন্য দুই ধাপে ‘অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্প-১’ এবং ‘প্রকল্প-২’ এর অনুমোদন দেয় জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। নির্দিষ্ট সময়ে কাজ শেষ না হওয়ায় অতিরিক্ত সময়ে এখন চলছে প্রথম প্রকল্পের কাজ। তবে ২য় প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত অবকাঠামোর কাজ কিছুই দৃশ্যমান হয়নি। এর মাঝে চলতি বছরের জুনে শেষ হয়েছে প্রকল্প বাস্তবায়নের সময়সীমা। এ দুই প্রকল্পে চারটি হল নির্মাণ না হওয়ায় আবাসন সংকটে রয়েছেন শিক্ষার্থীরা। ক্যাম্পাসের বাইরে মেস ভাড়া করে থাকতে হচ্ছে তাঁদের। আবাসন সমস্যায় রয়েছেন শিক্ষকরাও।

জানা যায়, ২০১৭ সালের মার্চ মাসে একনেকে ২০০ কোটি ৩৮ লাখ টাকার অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্প-১ এর অনুমোদন পায়। এ প্রকল্পের প্রথম মেয়াদ ছিল সাড়ে তিন বছর। ১ জানুয়ারি ২০১৭ থেকে ৩০ জুন ২০২০ পর্যন্ত। পরে মেয়াদ শেষ হলেও প্রকল্প বাস্তবায়ন কাজ সম্পন্ন না হওয়ায় আরও আড়াই বছর সময় বর্ধিত করা হয়। তবে এর মাঝে করোনা মহামারির কারণে প্রকল্পের মেয়াদ ১ বছর বর্ধিত করা হয়েছে বলে প্রকল্প পরিচালক জানান। ফলে প্রথম প্রকল্প শেষ হবে ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে।

এদিকে, ২০১৯ সালের ৯ জুলাই একনেকে ৯৮৭ কোটি ৭৯ লাখ টাকার অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্প-২ এর অনুমোদন পায়। ২য় প্রকল্পের মেয়াদ ছিল সাড়ে তিন বছর; ২০১৯ সালের জানুয়ারি থেকে এ বছরের জুন পর্যন্ত। এটিরও মেয়াদ শেষ। তবে প্রশাসন এ প্রকল্পের মেয়াদ ডিসেম্বর পর্যন্ত করেছে। এখন তিন বছর সময় বাড়ানোর জন্য আবেদন করেছে কর্তৃপক্ষ।

অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্প-২ এর আওতায় ছিল ১০ তলাবিশিষ্ট ১টি ছাত্রী এবং ১টি ছাত্র হল, গ্র্যাজুয়েট ও বিদেশি ছাত্রদের জন্য ৭ তলাবিশিষ্ট ১টি হোস্টেল, শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের জন্য ১১ তলাবিশিষ্ট ৪টি আবাসিক ভবন, কর্মচারীদের জন্য ১০ তলাবিশিষ্ট ১টি আবাসিক ভবন, ১০ তলাবিশিষ্ট ১টি প্রশাসনিক ভবন, বিভিন্ন অনুষদের বিভাগের জন্য ১০ তলাবিশিষ্ট ৪টি একাডেমিক ভবন, গবেষণার জন্য ১টি কেন্দ্রীয় ওয়ার্কশপ, শাবি স্কুল অ্যান্ড কলেজের জন্য ৬ তলাবিশিষ্ট ১টি ভবন, ১০ তলাবিশিষ্ট ১টি ক্লাব কমপ্লেক্স ভবন, ৪ তলাবিশিষ্ট ১টি মসজিদ, কেন্দ্রীয় গ্যারেজ বর্ধিতকরণ, প্রধান সড়কের উভয় পাশের ১৫ মিটার স্প্যানের দুটি ব্রিজ এবং বৈদ্যুতিক সাবস্টেশন নির্মাণ করার কথা। এদিকে এ প্রকল্প বাস্তবায়নের মেয়াদ ছিল চলতি বছরের গত জুন পর্যন্ত। কিন্তু এখন পর্যন্ত ১ শতাংশ কাজও বাস্তবায়ন হয়নি।

জানাযায়, ২০১৭ সালের মার্চ মাসে একনেকে ২০০ কোটি ৩৮ লাখ টাকার অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্প-১ এর অনুমোদন পায়। এ প্রকল্পের প্রথম মেয়াদ ছিল সাড়ে তিন বছর। ১ জানুয়ারি ২০১৭ থেকে ৩০ জুন ২০২০ পর্যন্ত। পরে মেয়াদ শেষ হলেও প্রকল্প বাস্তবায়ন কাজ সম্পন্ন না হওয়ায় আরও আড়াই বছর সময় বর্ধিত করা হয়। তবে এর মাঝে করোনা মহামারির কারণে প্রকল্পের মেয়াদ ১ বছর বর্ধিত করা হয়েছে বলে প্রকল্প পরিচালক জানান। ফলে প্রথম প্রকল্প শেষ হবে ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে।

এদিকে, ২০১৯ সালের ৯ জুলাই একনেকে ৯৮৭ কোটি ৭৯ লাখ টাকার অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্প-২ এর অনুমোদন পায়। ২য় প্রকল্পের মেয়াদ ছিল সাড়ে তিন বছর; ২০১৯ সালের জানুয়ারি থেকে এ বছরের জুন পর্যন্ত। এটিরও মেয়াদ শেষ। তবে প্রশাসন এ প্রকল্পের মেয়াদ ডিসেম্বর পর্যন্ত করেছে। এখন তিন বছর সময় বাড়ানোর জন্য আবেদন করেছে কর্তৃপক্ষ।

অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্প-২ এর আওতায় ছিল ১০ তলাবিশিষ্ট ১টি ছাত্রী এবং ১টি ছাত্র হল, গ্র্যাজুয়েট ও বিদেশি ছাত্রদের জন্য ৭ তলাবিশিষ্ট ১টি হোস্টেল, শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের জন্য ১১ তলাবিশিষ্ট ৪টি আবাসিক ভবন, কর্মচারীদের জন্য ১০ তলাবিশিষ্ট ১টি আবাসিক ভবন, ১০ তলাবিশিষ্ট ১টি প্রশাসনিক ভবন, বিভিন্ন অনুষদের বিভাগের জন্য ১০ তলাবিশিষ্ট ৪টি একাডেমিক ভবন, গবেষণার জন্য ১টি কেন্দ্রীয় ওয়ার্কশপ, শাবি স্কুল অ্যান্ড কলেজের জন্য ৬ তলাবিশিষ্ট ১টি ভবন, ১০ তলাবিশিষ্ট ১টি ক্লাব কমপ্লেক্স ভবন, ৪ তলাবিশিষ্ট ১টি মসজিদ, কেন্দ্রীয় গ্যারেজ বর্ধিতকরণ, প্রধান সড়কের উভয় পাশের ১৫ মিটার স্প্যানের দুটি ব্রিজ এবং বৈদ্যুতিক সাবস্টেশন নির্মাণ করার কথা। এদিকে এ প্রকল্প বাস্তবায়নের মেয়াদ ছিল চলতি বছরের গত জুন পর্যন্ত। কিন্তু এখন পর্যন্ত ১ শতাংশ কাজও বাস্তবায়ন হয়নি।

 

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরনের আরও সংবাদ

Rokomari Book

© All rights reserved © 2016 Paprhi it & Media Corporation
Developed By Paprhihost.com
ThemesBazar-Jowfhowo