১৩ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ ভোর ৫:৩১

শ্রীমঙ্গলে কনকনে শীত

সোনার সিলেট ডটকম
  • আপডেট মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ১৯, ২০২৩,

পৌষের শুরু থেকেই শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলার কনকনে শীত ও হিমেল হাওয়ার কারণে জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে। দিন দিন ওখানে বাড়ছে শীত। মঙ্গলবার (১৯ ডিসেম্বর) শ্রীমঙ্গল উপজেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

জানা গেছে, গত কয়েক দিন থেকে এ অঞ্চলে ক্রমশ তাপমাত্রা নিচে নামতে শুরু করেছে। এদিকে রাত থেকে সকাল পর্যন্ত ঘন কুয়াশা দেখা গেছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূর্যের দেখা মিললেও কমেনি শীতের তীব্রতা।

এদিকে, শীত ও কনকনে হিমেল হাওয়ার কারণে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন ছিন্নমুল ও শ্রমজিবী মানুষ। ফুটপাতে গড়ম কাপড়ের দোকানে কেনাকাটায় নিম্ন আয়ের মানুষের ভীর বাড়ছে। হিম বাতাসে সবচেয়ে বেশি কষ্ট পাচ্ছে শিশু, বৃদ্ধ আর ছিন্নমূল মানুষ। আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণ করছেন অনেকে। এ ছাড়া ঠান্ডার কারণে কৃষিকাজও চরমভাবে ব্যাহত হওয়ায় নষ্ট হওয়ার উপক্রম অনেক ফসলের। শীত নিবারণের জন্য মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো আগাম প্রস্তুতি গ্রহণ করলেও নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া ও শ্রমজীবী মানুষ শীতবস্ত্র সংগ্রহ নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছে।

চা বাগানের চা শ্রমিক সুমি বলেন খুব ঠান্ডা পড়ছে। ঘরের মেঝে থেকে শুরু করে আসবাবপত্র-বিছানা সব বরফ হয়ে গেছে। সকালে গৃহস্থালির কাজ করতে গিয়ে কনকনে ঠাণ্ডায় হাত-পা অবশ হয়ে আসে।

চা দোকানদার বিক্রেতা সুজিত বলেন, কয়েক দিন থেকে খুবই শীত। আজ সকালে এত শীত পড়েছে যে রাস্তা দেখায় যায় না। এরকম ঠান্ডা ও শীত হলে আমার মতো বয়স্ক মানুষগুলোর সমস্যা।

আরেকজন বলেন- কয়েক দিন থেকে খুব শীত। মাঠে কাজ করতে সমস্যা হয়। এখনো কেউ আমাক কম্বল দেয়নি। কম্বলের খুব দরকার।

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলস্থ আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার পর্যবেক্ষক মো. মুজিবুর রহমান জানান, আজ (মঙ্গলবার) সকালে জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা আগামীতে আরও কমবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরনের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2016 Paprhi it & Media Corporation
Developed By Paprhihost.com
ThemesBazar-Jowfhowo