বাংলাদেশে চব্বিশের জুলাই-আগস্টে অনুষ্ঠিত ছাত্র-জনতার আন্দোলনের নামই জুলাই বিপ্লব। জুলাই গণঅভ্যুত্থান কিংবা জুলাই বিপ্লব যে নামেই পরিচিতি পাক, চব্বিশের জুলাই ছিল পুরোটাই লাল। দুহাজার চব্বিশের আগস্টের পাঁচ তারিখ পর্যন্ত জুলাই মাস অব্যাহত ছিল । আমাদের ইতিহাসে ছত্রিশ জুলাই (পাঁচ আগস্ট) একটি ঐতিহাসিক দিন। এ জুলাই আন্দোলনে ছাত্রজনতার পাশাপাশি কবি-লেখক এবং সংস্কৃতি কর্মীরাও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে শক্তিশালী ভূমিকা রেখেছেন। ‘বুকের ভেতর অনেক ঝড়/ বুক পেতেছি গুলি কর’ স্লোগানকাব্যের মতো অসংখ্য স্লোগান তৈরি করেছে কবি ও ছড়াকারগণ।
আমাদের কবিতা-ছড়ায় তুলে ধরা হয়েছে লাল জুলাইয়ের রক্তাক্ত চিত্র। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তিতে আমরা এখনও লাল জুলাইয়ের কবিতা-ছড়ায় স্মরণ করছি আমাদের শহীদদের। স্মরণ করছি দুঃসহ সেই সময়কে।
ঐতিহ্যবাহী সাহিত্য প্রতিষ্ঠান কেন্দ্রীয় মুসিলম সাহিত্য সংসদ কর্তৃক জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপুর্তি উপলক্ষে ‘লাল জুলাইয়ের পঙক্তিমালা’ শীর্ষক কবিতা ও ছড়াপাঠ এবং সংসদের ১২৪০তম নিয়মিত সাপ্তাহিক সাহিত্য আসরে আলোচনাকালে বক্তারা উপরোক্ত কথা বলেন।
৩১ জুলাই ২০২৫ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নগরীর দরগাহ গেইটস্থ কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদের সাহিত্য আসর কক্ষে সংসদের সাহিত্য ও গবেষণা সম্পাদক প্রভাষক-ছড়াকার কামরুল আলমের সভাপতিত্বে ও ছড়াকার কবির আশরাফের সঞ্চালনায় আসরে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন কবি সরওয়ার ফারুকী, যুক্তরাজ্য প্রবাসী কবি নুরুস সুফিয়ান চৌধুরী ও কবি মো. তাজুল ইসলাম। পঠিত লেখার ওপর আলোচনা করেন কবি মাহফুজ জোহা।
সাহিত্য আসরের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন আদীল আনোয়ার। আসরে লেখা পাঠে অংশনেন ছয়ফুল আলম পারুল, তাসলিমা খানম বীথি, সুফি আকবর, কামাল আহমদ, মকসুদ আহমদ লাল, আব্দুল মুমিন, আদীল আনোয়ার, হুসাইন হামিদ, মো. দিদার আহমদ, সুয়েব আহমদ প্রমুখ। গান পরিবেশন করেন মো. বাহাউদ্দিন বাহার ও কুবাদ বখত চৌধুরী রুবেল। সেরালেখক মনোনীত হন সুফি আকবর।