বাঙালি মুসলমান সমাজ ঐতিহাসিকভাবেই উদারনৈতিক সংস্কৃতি চর্চায় বিশ্বাসী। তাঁরা একদিকে যেমন যথাযথ ভাব-গাম্ভীর্যের সঙ্গে ইসলামি অনুশাসন পালন করেন, অন্যদিকে ইসলাম ধর্ম অনুমোদন করে না এমন বাঙালি সংস্কৃতির রীতি-নীতিও শ্রদ্ধা ও
বিস্তারিত
অপার সম্ভাবনার এ দেশ। এখানে জন্ম নিয়েছেন অনেক জ্ঞানী-গুণী। তারা দেশের সঙ্গে বিশ্বকেও করে গেছেন সমৃদ্ধ। এখনও এ মাটির সন্তানেরা পৃথিবীর দেশে দেশে অনেক দায়িত্বপূর্ণ কাজ, যুগান্তকারী গবেষণায় ব্যস্ত। কিন্তু
আমাদের দেশের অধিকাংশ নারীকে তাদের বাবা এবং স্বামীর সম্পত্তি থেকে বিভিন্নভাবে বঞ্চিত করা হয়। এর উপর রয়েছে শ্বশুড়বাড়িতে যৌতুকের নিত্যনতুন চাহিদার ফর্দ। এ ক্ষেত্রে নিম্নবিত্ত আর উচ্চবিত্তের মাঝে ফারাক সামান্য। ফলে
কী দিয়ে লিখা শুরু করবো পাইনি ভাষা খুঁজে, আমার মতো হাজার জনের চোখে কিবা অশ্রু ভিজে। আপনজন সবার সিলেটবাসীর নেতা সর্বস্তরের জনগণকে আদর করতেন ভালোবাসতেন, তাঁর মাঝে সবচেয়ে বেশি গুণছিলো
বিভিন্ন দিবসের মধ্যে বিশ্বভালোবাসা দিবস একটি। এ দিবসটিকে কেন্দ্র করে তরুণ-তরুণীদের মধ্যে নানা উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। ফেব্রুয়ারি মাসের ১৪ তারিখে এ দিবসটি পালিত হয়। বাংলায় ভালোবাসাদিবস বলা হলেও ইংরেজিতে