শাহজাহানপুরে টিপু হত্যায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে মোল্লা মানিক ও মারুফ খানকে। তাদের ৫ দিন করে রিমান্ড দিয়েছে আদালতে। গ্রেপ্তার দুই জনসহ এ মামলায় গ্রেপ্তার হলেন মোট ৮ জন।
এদিকে গোয়েন্দারা জানিয়েছে, কমলাপুরের রুপালী ক্লাবে মুসা ও দামালের সঙ্গে টিপুকে হত্যার পরিকল্পনায় ছিলেন মানিক ও মারুফও। মানিক শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসানের প্রতিনিধি ও মারুফ ফ্রিডম মানিকের প্রতিনিধি।
মতিঝিল থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম টিপুকে গুলি করে হত্যা করা হয় ২৪ মার্চ রাতে। ২৭ মার্চ গ্রেপ্তার হন শ্যুটার মাসুম। ৩১ মার্চ কমলাপুরের রুপালী যুব উন্নয়ণ সংস্থা থেকে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করা হয় আরফান উল্লাহ দামালকে। আর এই ক্লাবে বসেই দেড় দুমাস আগে করা হয় টিপু হত্যার পরিকল্পনা।
হত্যার পরিকল্পনার বৈঠকে অংশ নেন মুসা, দামাল, শামীম, মারুফ ও মানিকসহ বেশ কয়েকজন। অবশেষে ৬ মার্চ রাতে মুগদা ও শাহজাহানপুরে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হলো মানিক ও মারুফকে।
তাদের গ্রেপ্তারের পর গোয়েন্দারা জানাচ্ছেন, টিপু হত্যার নির্দেশ দুবাই থেকে দিয়েছেন শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসান, ফ্রিডম মানিক ও বিকাশ-প্রকাশ। আর তা বাস্তবায়নে বিকাশ-প্রকাশের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন মুসা। গ্রেপ্তার মারুফ ফ্রিডম মানিকের ও মোল্লা মানিক ছিলো জিসানের প্রতিনিধি।
গোয়েন্দারা আরো জানায়, ফ্রিডম মানিকের টাকাপয়সার হিসাব রাখতেন গ্রেপ্তারকৃত মারুফ। আর তার বেতনভুক্ত কর্মী টিপু হত্যায় সরাসরি অংশ নেয়া মোল্লা শামীম। এই শামীমই কিলিং মিশনের দায়িত্ব দেন শ্যুটার মাসুমকে।
গ্রেপ্তারের পর আদালতে তোলা হলে, মারুফ ও মানিককে ৫ দিন করে রিমান্ড দিয়েছেন বিচারক।