ফরহাদ আহমদ এর বাড়ি শিবের বাজার সংলগ্নে. তিনি একজন ব্লগার ও শিক্ষকতা করতেন,
তার বাবা একজন ব্যবসায়ী নাম আবুল কালাম (৬০)। ফরহাদ আহমদ তার ব্যক্তিগত ব্লগ www.farhadahmedblog.com এবং Facebook এ তার এলাকার সবচেয়ে বড় ধর্মীয় গোঁড়ামির এবং ভন্ড মতবাদের সংঘটন হিজবুত তাওহিদ এবং দেওয়ানগিদের বিষয় লেখালেখি করতেন।
তাদের দ্বারা সংগঠিত ধর্মের অপব্যবহার সমাজের কুসংস্কার নারিদের প্রতি বিদ্বেষ ও জঙ্গিবাদ ইত্যাদি অপকর্মের প্রতি লেখালেখী করতেন।
এসব লেখার কারনে তার উপর বিভিন্ন হামলা ভয় ভীতি প্রদর্শন হয়ে আসসে। ২০২১ সাল থেকে তিনি কার ব্লগে এবং ফেইসবুকে লিখতেন।
তাহার পিতার কাছ থেকে জানা যায় তার এলাকায় শান্তি প্রিয় ভাবে বসবাস করে আসছেন। তাহার ছেলে লক্ষ্য করলো যে , এলাকায় হটাৎ করে ধর্মীয় গোড়ামি এবং উগ্র মৌলবাদ দলের কার্যকলাপ তাহার উপর চোখে পড়ে ধর্মীয় বিষয় ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে ফতোয়াবাজি নারীদের বিষয় অহিংষু ইসলামের নামে জঙ্গিবাদ সমাজ কে ধংসের দিকে দাবিত করছিল। একজন সচেতন মানুষ হিসাবে ফরহাদ আহমদ তিনি প্রতিবাদ করেন এবং সমাজের মানুষ কে সচেতন করতে থাকেন। এসব করার কারনে স্থানীয় হিজবুত তাওহীদ এবং দেওয়ানবাগী সংগঠন ও আমলারা ১৩ জুলাই তার উপর হামলা করেন, তাহার মাথা হাটু বুক হাত, পায়ে মারাত্মক জখম হয় এবং তিনি ১৫ দিন হসপিটা ভার্তী ছিলেন।
তাহার উপর এতো অত্যাচার ও নির্যাতনের পরেও তিনি জনগনকে ধর্মান্ধদের বিরুদ্ধে সচেতন করতে থাকেন। ধর্মান্ধ গোষ্ঠীরা আরো ফতোয়া জারি করেন, যে পুরুষরা বহুবিবাহ করা নারীকে ঘরের মধ্যে আবদ্ধ করা, নারীদের ১৩, ১৪ বছর এর বিয়ে দেওয়া, নারীদের চাকরী না করা, এসব বিষয় লিখা- লেখীর কারনে তাহার উপর নেমে আসে ফ্যামেলির উপর অত্যাচার। অতপর, ১৭ সেপ্টেম্বর হিজবুত তাওহীদ এবং দেওয়ানবাগীর মৌলবাদীরা তাহার উপর হামলা, ব্যাপক ভাঙ্গুর চালায় এবং সবশেষে তাহার বাড়িতে বাড়িঘরে আগুন দিয়ে জালিয়ে দেওয়া হয়। তখন স্থানীয়রা তাহার পরিবারকে আগুনের হাত থেকে রক্ষা করেন।
স্থানীয় থানার ওসি জনাব বেলাল আহমদ এই ঘটনার তদন্ত করান। এবং স্থানীয় সুশীল সমাজ এই ঘটনার নিন্দা জানায় ।