মূল সংবাদে যান

বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬

কেমুসাসের ১২৬০তম সাহিত্য আসর:  নতুন কণ্ঠই সাহিত্যকে বাঁচিয়ে রাখে
লেখালেখি কোনো হঠাৎ প্রাপ্ত কৃতিত্ব নয়, এটি ধৈর্য, সাধনা ও সততার দীর্ঘ পথচলা। শুরুতে হয়তো পাঠক কম হবে, প্রশংসা কম আসবে, কখনো উপেক্ষাও পেতে হবে। কিন্তু ইতিহাস বলে—যারা থামে না, তারাই একদিন দিকনির্দেশক হয়ে ওঠে। ঐতিহ্যবাহী সাহিত্য প্রতিষ্ঠান কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদের ১২৬০তম নিয়মিত সাপ্তাহিক সাহিত্য আসরে আলোচনাকালে আলোচকগণ উপরোক্ত কথা বলেন।
৮ জানুয়ারি ২০২৬ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নগরীর দরগাহ গেইটস্থ কেমুসাসের সাহিত্য আসর কক্ষে সংসদের সাহিত্য ও গবেষণা সম্পাদক প্রভাষক-ছড়াকার কামরুল আলমের সভাপতিত্বে ও ছড়াকার আব্দুস সামাদের সঞ্চালনায় আসরে পঠিত লেখা নিয়ে আলোচনা করেন কবি ছয়ফুল আলম পারুল। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংসদের কোষাধ্যক্ষ জাহেদুর রহমান চৌধুরী ও আল আমিন জামেয়া ইসলামিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. জসিম উদ্দিন।
সভাপতির বক্তব্যে প্রভাষক-ছড়াকার কামরুল আলম বলেন, নতুন কণ্ঠই সাহিত্যকে বাঁচিয়ে রাখে। আপনাদের ভাবনা, ভাষা, অনুভূতির ভিন্নতা আমাদের সাহিত্যকে করবে আরও সমৃদ্ধ, আরও জীবন্ত। তাই নিজের মতো করে লিখুন, ভয় না পেয়ে লিখুন, কিন্তু দায়বদ্ধতা ও মূল্যবোধকে সঙ্গে রেখেই লিখুন।
আসরের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন কবি কামাল আহমদ। লেখা পাঠে অংশনেন কবি আমিনা শহিদ চৌধুরী মান্না, মাজহারুল ইসলাম জয়নাল, সাজন আহমদ সাজু, জুবের আহমদ সার্জন, কামাল আহমদ, মো. আমীর হোসেন সোহাগ, আব্দুল মুমিন, হুসাইন হামিদ, আব্দুল্লাহ চৌধুরী তালহা, আদীল আনোয়ার, ফয়সাল আহমদ প্রমুখ। গান পরিবেশন করেন বিমান বিহারী বিশ্বাস, মিলন কান্তি দাস, মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন, মো. বাহাউদ্দিন বাহার ও লিলু মিয়া। সেরালেখক মনোনীত হন আমিনা শহীদ চৌধুরী মান্না। অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে ডিসেম্বর মাসের সেরালেখকদের পুরস্কার প্রদান করেন অতিথিবৃন্দ।