জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মৌলভীবাজার-৩ আসনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি-জামায়াত সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আসামিদের জামিন নামঞ্জুর হওয়ার পর আদালত প্রাঙ্গণে আইনজীবীকে হেনস্তার চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
২০১৮ সালের ১৯ ডিসেম্বর মৌলভীবাজার-৩ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী নেছার আহমদের নির্বাচনী প্রচারণায় বিএনপি ও জামায়াত সমর্থিত লোকজন বাধা প্রদান ও হামলা চালায় বলে অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনায় জনি আহমদ বাদী হয়ে মৌলভীবাজার সদর থানায় মামলা দায়ের করেন (জিআর মামলা নং- ৩৬০/২০১৮)। উক্ত মামলায় ৪৪ জনকে আসামি করা হয় এবং ঘটনার পর পুলিশ দুইজনকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করে।
মামলাটি রাষ্ট্রপক্ষে পরিচালনা করেন আইনজীবী এডভোকেট সেলিনা আক্তার ও এডভোকেট সুজন মিয়া। অন্যদিকে আসামি পক্ষে ছিলেন এডভোকেট বিল্লাল হোসেন।
মামলার আসামি বিএনপি ও জামায়াত নেতা জিএম মুক্তাদীর রাজু এবং আশিন মোশাররফ গংদের জামিন আবেদনের শুনানি শেষে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীদের তীব্র প্রতিবাদের মুখে আদালত তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন এবং জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।
আদালতের এই আদেশের পর কোর্টের বাইরে বিএনপি-জামায়াত সমর্থিত কর্মীরা রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এডভোকেট সেলিনা আক্তারকে উদ্দেশ্য করে অশালীন মন্তব্য করেন। এক পর্যায়ে বিক্ষোভকারীরা তাকে শারীরিকভাবে আঘাত করার উদ্দেশ্যে অগ্রসর হলে কোর্ট পুলিশ তাদের ধাওয়া দেয়। পুলিশের ধাওয়া খেয়ে বিক্ষোভকারীরা পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে সোনার সিলেটের পক্ষ থেকে মুঠোফোনে মৌলভীবাজার কোর্ট পুলিশ ইনচার্জ জাহেদ আহমদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।