মূল সংবাদে যান

মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬

নগরীর তালতলায় হোটেলে প্রেমিকাকে রাতভর ‘ধর্ষণ’, প্রেমিকসহ গ্রেফতার ২

নগরীর তালতলার একটি আবাসিক হোটেলে এক কিশোরীকে রাতভর ‘ধর্ষণ’, করেছে বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে এক প্রেমিক। কিশোরীর বাড়ি হবিগঞ্জের বাহুবলে। পুলিশ প্রেমিক ও তার বন্ধুকে গ্রেফতার করেছে।
গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছেন- জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার ববকান্দি গ্রামের মৃত হুদ খাঁর ছেলে (প্রেমিক) জুয়েল খাঁ (২২) ও তার বন্ধু বরগাঁও গাজী মোকাম গ্রামের মৃত আহম্মদ মিয়ার ছেলে জুনেদ মিয়া (২৬)।

শনিবার (৯ অক্টোবর) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাহুবল মডেল থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) আলমগীর কবির।

এর আগে শুক্রবার রাতে নবীগঞ্জের বরগাঁও এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। পরে তারা ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা পুলিশের কাছে স্বীকার করে।

বাহুবল মডেল থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) আলমগীর কবির জানান, জুয়েল খাঁ’র সাথে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বাহুবল উপজেলার উত্তর ভবানীপুর গ্রামের জনৈক ওই কিশোরীর সাথে তার পরিচয় হয়। কয়েক দিন যেতেই তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। একজন আরেকজনকে কাছে পেতে মরিয়া হয়ে উঠে। এরই প্রেক্ষিতে জুয়েল প্রেমিকাকে তার সাথে দেখা করতে সিলেট শহরে আসতে বলে। এতে রাজি হয় ওই কিশোরী।

গত ৬ অক্টোবর বিকেল ৪টায় জুয়েল পানিউমদা থেকে একটি সিএনজি চালিত অটোরিকশা পাঠায় প্রেমিকার বাড়ির পাশে। পরে সে অটোরিকশা করে সে পানিউমদা যায়। সেখান থেকে বাসে করে সে সিলেট পৌঁছায়। সিলেট কদমতলী থেকে জুয়েল ও তার বন্ধু জুনেদ মিলে সিলেট শহরের তালতলাস্থ আবাসিক হোটেল সুফিয়ার দ্বিতীয় তলার একটি রুমে নিয়ে কিশোরীকে রাতভর পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পরদিন ৭ অক্টোবর সকালে ওই কিশোরীকে বাসে উঠিয়ে দুপুরে নবীগঞ্জের পানিউমদায় নামিয়ে দিয়ে জুনেদ মিয়া সটকে পড়ে।

পরে প্রেমিকের প্রতারণা বুঝতে পেরে বিষয়টি স্বজনকে জানায় ওই কিশোরী। স্বজনরা বিষয়টি বাহুবল মডেল থানা পুলিশকে জানান।

এ বিষয়ে থানার ওসি জানান, ধর্ষণের শিকার আহত কিশোরী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। অপরদিকে, গ্রেফতারকৃতদের শনিবার বিকেলে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।