ফেঞ্চুগঞ্জে কর্মী সম্মেলনকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ১০/১২ জন গুরুতর আহত ও প্রান গেল যুবলীগ কর্মী হারুন আহমেদের। হত্যাকান্ড ও সংঘর্ষের ঘটনায় উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ইকবাল আহমেদ বাদী হয়ে থানায় ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। আসামিরা হলেনঃ ১। আব্দুর রহমান ২। কাউছার আহমেদ ৩। রায়হান আহমেদ ৪। জাবেল মিয়া ৫। রামিম আহমদ ৬। সাইদুল ইসলাম ৭। জমির হোসেন ৮। রিদওয়ান আহমদ ৯। আফজাল মিয়া ১০। রাসেল। ইকবাল আহমেদ পুলিশকে জানান, দায়েরকৃত মামলায় ১নং আসামি আব্দুর রহমান ও ২নং আসামি কাউছার আহমেদ যুবলীগ কর্মী হারুনকে হত্যা করেছে। জানা গেছে গতকাল ২১ জানুয়ারি বিকাল ৪ ঘটিকার সময় কর্মী সম্মেলন হয়েছিল। সেই সময় দুই গ্রুপের কর্মীরা উত্তেজিত হলে তাদের মধ্যে মারামারি শুরু হয়। থানা একলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। যে কোন সময় আরো ও বড় ধরনের রক্তপাত ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটতে পারে। আহতদেরকে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিহত হারুন আহমেদের লাশ সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশী টহল জোরদার করা হয়েছে। গা শিউরে উঠা এই পাশবিক ঘটনায় পুলিশ এখন পর্যন্ত কাউছার আহমেদকে ছাড়া আর কাউকেই গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়নি। তবে পুলিশ আসামীদের ধরার জন্যে বিভিন্ন স্থানে সাঁড়াসি অভিযান পরিচালনা করছে।