মূল সংবাদে যান

সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬

সারাদেশ

ভূঞাপুরের নিকলা গ্রামে আলোকসাথী পাঠাগারের শুভ উদ্বোধন

ভূঞাপুরের নিকলা গ্রামে আলোকসাথী পাঠাগারের শুভ উদ্বোধন

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলাধীন নিকলা গ্রামে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে ‘আলোকসাথী পাঠাগার’। গত বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পাঠাগারটির শুভ উদ্বোধন করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শিশুসাহিত্যিক রাসেল খান। পাঠাগারটি ফিতা কেটে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট কবি, অধ্যাপক ও সুজন (সুশাসনের জন্য নাগরিক) সভাপতি মির্জা মহীউদ্দিন আহমেদ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কবি ও আবৃত্তিশিল্পী হারুন অর রশিদ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কবি সাইফুল ইসলাম, শিশুসাহিত্যিক ও ফোকলোর গবেষক মামুন তরফদার, কবি ও সাংবাদিক আখতার হোসেন খান, প্যানেল চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম হাসান, বাংলাদেশ সম্মিলিত পাঠাগার আন্দোলনের সভাপতি আবদুস সাত্তার খান, কবি লিমা রহমান, কবি হালিমা খাতুন, আলোকসাথী ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা মেহের মাকসুদ কবির (ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ, হেমনগর কলেজ), সাংবাদিক ও অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক, এনামুল হক খান ও আসাদুজ্জামান (মাসুম)সহ স্থানীয় কবি, সাহিত্যিক, সংস্কৃতিকর্মী, পাঠক ও শুভানুধ্যায়ীরা। তাঁদের উপস্থিতি ও আন্তরিক অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

আলোকসাথী পাঠাগার প্রতিষ্ঠার মূল লক্ষ্য হলো মানুষের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা, জ্ঞানচর্চার প্রসার ঘটানো এবং নতুন প্রজন্মকে বই ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের প্রতি আগ্রহী করে তোলা। পাঠাগারটি ভবিষ্যতে সাহিত্য, সংস্কৃতি ও মননশীল চর্চার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠবে—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন সংশ্লিষ্টরা।

পাঠাগার প্রতিষ্ঠার এই উদ্যোগ বাস্তবায়নে আলোকসাথী ফাউন্ডেশনের সম্মানিত উপদেষ্টামণ্ডলী, সদস্য, শুভাকাঙ্ক্ষী ও সহযোগীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় পাঠাগারটির কার্যক্রম আরও বিস্তৃত হবে এবং সমাজে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে পড়বে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।
‘এসো সবাই, আলো ছড়াই’—এই স্লোগানকে ধারণ করে আলোকসাথী পাঠাগার বইয়ের আলোয় আলোকিত, মানবিক ও মননশীল সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখবে—এমন প্রত্যাশা সবার।