মূল সংবাদে যান

শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬

বর্ষার ফুল
মেঘের কোলে রোদ হেসেছে
খায় যে লুটোপুটি
স্কুলে আজ ঘন্টি বাজে
আজ আমাদের ছুটি ।
সাদা মেঘের উড়াউড়ি
সারা আকাশ জুড়ে
বন্ধুরা সব জড়ো হলো
পাড়ার গলির মোড়ে ।
সোনার তরীর গল্প হলো
ছোট্র নদীর বাকেঁ
বকুল ফুলের মালা গাথি
পড়িয়ে দিলাম তাকে ।
বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর
ভরছে নদীর জল
ডালে ডালে বর্ষা ফুলের
নামছে রুপের ঢল ।
শিলাইদহের কুটির বাড়ি
একটা প্রিয় গ্রামে
ছন্দ ছড়ার  আলো নিয়ে
কারা যে আজ  থামে ।
ছড়ার ভুবন আলো করে
ফুটছে মুখে হাসি
ওগো সোনার বাংলা আমি
তোমায় ভালবাসি  ।
.
জ্যৈষ্ঠ মাসের মিষ্টি পাখি
আম পেকেছে দোয়েল পাখি
কোথায় আছিস আয়
থোকায় থোকায় জ্বলছে জোনাক
দেখলে পরান যায় ।
কোথায় ডাকিস পাতার ফাকে
কোথায় বাড়ি ঘর
কেমনে করিস ওড়াওড়ি
আসবে যখন ঝড় ।
জ্যৈষ্ঠ মাসে মিষ্টি আমের
সদায় ছড়াছড়ি
জামের সাথে আম কাঁঠালে
করছে গড়াগড়ি ।
আয়রে পাখি
প্রাণটা জুড়াই
শুনে তোরই গান
তোর সুরে যে মধু ভরা
খোদার মেহের বান ।
করিস না আর ভীষণ দেরি
মিষ্টি সুরের পাখি
সারা বছর জড়িয়ে রবে
মধুর সুরে ডাকি ।
বৃষ্টি বিলাস 
রোদের দিনে মেঘের কথা
ভুলে গেছে ইস
বৃষ্টি দিনে রং ধনুকে
খুব করেছি মিস  ।
পুব আকাশে আঁধার করে
আসল মেঘের দিন
মেঘের খামে আসছে বুঝি
কাব্য লেখার দিন  ।
মেঘের ভেলায় বৃষ্টি নামে
বন্ধ ঘাটের খেয়া
টুপুর টাপুর বৃষ্টি পড়ে
ফুটছে কদম কেয়া  ।
ঝমঝমাঝম বৃষ্টি আসে
বৃষ্টি পড়ে টানা
জারুল গাছে বৃষ্টি পড়ে
ভিজল কাকের ছানা  ।
যাচ্ছে উড়ে ঐ কালো মেঘ
তাকেই খবর দিস
রংধনুর ঐ রঙিন ভেলা
সঙ্গে করে নিস  ।
কাব্য লিখে আসব ফিরে
স্বপ্ন কোন কালে
ও প্রিয় মেঘ বৃষ্টি ঢালিস
আমার প্রিয়ার গালে  ।
দেখোকার সাথি
খোকার ছিল একটা আকাশ
একটা নাটাই ঘুড়ি
আকাশজুড়ে ঘুড়ির খেলায়
তার ছিল না জুড়ি।
বন-বাঁদাড়ে ঘুরতো খোকা
দুরন্ত তার মন
গ্রাম ছিল তার খেলার সাথি
সাত রাজারই ধন।
গায়ের ধুলায় খেলতো খেলা
মাখত সারা গায়
হাঁটত নিতই সবুজ ঘাসে
শিশির ভেজা পায়।
নানা রকম পাখির সাথে
তাহার ছিল চিন
হাসিখুশি তাদের সাথে
কাটত খোকার দিন।
নদী ছিল খেয়া ছিল
ছিল খেয়ার মাঝি
বটের তলায় বসত মেলা
কোথায় গেল আজি।
পায় না খুঁজে খোকা এখন
ছোট্ট খেলার সাথি
কোথায় থেকে ঢাকল এসে
আঁধার কালো রাতি।