গোলাপগন্জের আব্দুল বারীর সম্পত্তি দখল করার অভিযোগ উঠেছে এমপি নূরুল ইসলাম নাহিদের ডান হাত খ্যাত আব্দুল আহাদের বিরুদ্ধে। তার বিরুদ্ধে এলাকায় সন্ত্রাস চাদাবাজি সহ ব্যাপক অভিযোগ রয়েছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এলাকার অধিকাংশ জনগণ এমন অভিযোগ করেন।
উল্লেখ্য যে আব্দুল আহাদ তার চাচা আব্দুল বারীর সম্পত্তি দখল করার ষড়যন্ত্র শুরু করেন ২০১৯ সাল থেকে। এবং অধিকাং সম্পত্তি দখল করে নেন।
এই ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে রেজাউল করিম জানান, আব্দুল আহাদ সম্পত্তির জন্য তাদের উপর ব্যাপক অত্যাচার নির্যাতন চালাচ্চে।
তাদের বাড়িঘর ভাংচুর, মারধর, হুমকি বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করার চেষ্টা করছে। শুধু মাত্র সম্পত্তির জন্য ২০২১ সালে ৪ এপ্রিল মিথ্যা মাদক মামলা আসামী করে রেজাউলকে জেল খানায় প্রেরণের অভিযোগ উঠেছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, স্থানীয় থানাকে ম্যানেজ করে আব্দুল আহাদ রেজাউল করিমকে মিথ্যা মাদক মামলায় ফাসিয়ে দেয়।
এই মামলায় তিনি ৬ মাস জেলে ছিলেন। এই বিষয়ে গোলাপগন্জ থানার ওসিকে জানতে চাওয়া হলে তিনি কোন সদুত্তর দিতে পারেন নাই। তিনি বলেন আব্দুল আহাদ আমাদের কে ইনফরমেশন দিলে আমরা অভিযান পরিচালনা করি। এবং আব্দুল বারির বাড়ির পিছন থেকে মাদক উদ্ধার করি। এবং রেজাউল করিমকে গ্রেফতার করি।
স্থানীয় জনগন থেকে খোজ নিয়ে জানা যায়, রেজাউল মাদকের সাথে জড়িত নই, আব্দুল আহাদ সম্পত্তি দখল করার জন্য পুলিশকে ম্যানেজ করে গ্রেফতার করিয়েছে।
উল্লেখ্য যে আব্দুল আহাদ কতৃক ব্যাপক নির্যাতনের স্বীকার হয়ে রেজাউলের বড় ভাই আব্দুর রাজ্জাক ২০১৯ সালে দেশ ত্যাগ করেন।
২০২২ সালে একটি মিথ্যা রাজনৈতিক হত্যা মামলায় রেজাউলকে আসামী করার অভিযোগ উঠেছে। এই এই হত্যা মামলায় এখন তিনি ওয়ারেন্ট ভূক্ত আসামী।
এই হত্যা মামলা সম্পর্কে গোলাপ গন্জ থানার ওসি জানান এই মামলায় বিএনপির নেতা কর্মীদের আসামী করা হয়েছে।
সম্পত্তি দখলের অভিযোগ সম্পর্কে আব্দুল আহাদকে জানতে চাওয়া হলে তিনি সাংবাদিক কে হুমকি প্রদানের অভিযোগ উঠেছে।
আব্দুর আহাদের এমন অত্যাচার নির্যাতনে এলাকাবাসি অতিষ্ট। তারা এর সঠিক বিচার চান।