যুবদল নেতা মো. শাহজাহানের বাড়িতে হামলা করেছে আওয়ামীলীগের সস্ত্রাসীরা। এসময় তারা বাসা থেকে তার পিতা বশির মিয়াকে (৬০) তুলে নিয়ে গিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। গতকাল শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে সিলেটের হরিপুরে এই ঘটনা ঘটে।
গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, সিলেটে অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইনে মামলায় আওয়ামীলীগের সাবেক চার মন্ত্রী-এমপি ও মেয়রসহ ৪৭৭জনকে আসামি করা হয়েছে। তারা সবাই আওয়ামী লীগ এবং অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যয়ের নেতাকর্মী। ১৯০৮ইং সনের অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইনের ৩/৪ তৎসহ ৩২৩/৩২৪/৩২৬/৩০৭/৩৪ দণ্ডবিধির ধারায় ৩ ফেব্রুয়ারি রেকর্ড হওয়া এ মামলার বাদি সিলেট জেলা যুবদলের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ও মোগলাবাজার থানার মির্জাপুর গ্রামের মো. নামর আলীর ছেলে সাজিব আহমদ। কিন্তু স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতারা দাবি করে এই মামলার পেছনে লন্ডনে অবস্থানরত যুবদল নেতা মো. শাহজাহানের হাত রয়েছে। এর জের ধরে তার উপর ক্ষীপ্ত হয়ে শনিবার রাতে শাহজাহানের হরিপুরের বাড়িতে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা হামলা চালায়। শাহজাহানকে না পেয়ে তার প্রতি ক্ষীপ্ত হয়ে তারা তাঁর পিতা বশির মিয়াকে নিজ বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে হরিপুর হাইওয়ে রোডের পাশে ফেলে রেখে চলে যায়। পরে স্থানীয়রা তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক জানান শরীরে অতিরিক্ত আঘাতের ফলে তিনি মৃতুবরণ করেছেন।
পরিবারের সূত্রে জানা যায়, ৫নং ফতেপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের সভাপতি রফিক আহমদ, জৈন্তাপুর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং জৈন্তাপুর উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক শাহীনুর রহমান ও সাবেক জৈন্তাপুর উপজেলা চেয়ারম্যান জামায়াত নেতা জয়নাল আবেদীন এই হামলার নেতৃত্ব দিয়েছেন।
গণমাধ্যমকে শাহজাহানের মা দিলারা বেগম বলেন, ৫নং ফতেপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের সভাপতি রফিক আহমদ, জৈন্তাপুর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং জৈন্তাপুর উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক শাহীনুর রহমান ও সাবেক জৈন্তাপুর উপজেলা চেয়ারম্যান জামায়াত নেতা জয়নাল আবেদীনের গুণ্ডাবাহিনি গতকাল রাতে আমাদের বাড়িতে হামলা চালায়। তারা আমার স্বামী অসুস্থ বশির মিয়াকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। আমি বর্তমান সরকারের কাছে এর সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি। এ বিষয়ে আমি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি এন্ট্রি) করেছি।’