পরিবারের অগোচরে প্রেমিকের সাথে পালিয়ে বিয়ে করেছিলেন ফাহমিদা খানম স্বর্ণা নামের এক যুবতী। বিয়ের এক সপ্তাহের মধ্যেই আজ (শুক্রবার) তিনি বড় ভাই ফরিদ আহমদের (৪০) হামলার শিকার হন। বর্তমানে তিনি আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজে ভর্তি আছেন।
গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, গত সাত মাস যাবত মো. আখলাকুল আলম নামক এক যুবকের সাথে প্রেমের সম্পর্ক ছিলো স্বর্ণার। কিন্তু তার পরিবার সেটা মেনে নিতে রাজি হয়নি। অবশেষে গত ৩০ সেপ্টেম্বর পরিবারের অসম্মতিতে পালিয়ে গিয়ে গোপনে বিয়ে করেন তারা। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে স্বর্ণার ভাই ফরিদ আহমদ (৪০) তাকে খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন। আজ বিকেল ৪টার দিকে সিলেট নগরীর আম্বরখানায় স্বর্ণাকে তার স্বামী আখলাকুল আলমের সাথে দেখতে পান তিনি। ঘটনাস্থল থেকে প্রাণের ভয়ে পলায়ন করেন স্বর্ণার স্বামী আখলাকুল। ফরিদ আহমদ তার বোন স্বর্ণাকে সেখানেই কিছুক্ষণ মারধর করেন। তারপর নিজ বাড়িতে নিয়ে গিয়ে আবারও মারধর করেন। এতে তিনি সামান্য আহত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
এই ঘটনায় স্বর্ণার স্বামী মো. আখলাকুল আলমের সাথে গণমাধ্যমের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, দীর্ঘ ৭ মাস থেকে তার আর স্বর্ণার প্রেমের সম্পর্ক ছিলো। অতঃপর তারা বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু স্বর্ণার পরিবার সেটা মেনে নেয়নি। তাই বাধ্য হয়ে তারা পালিয়ে বিয়ে করেন। আজ বিকেলে স্বর্ণা ও আখলাকুলকে একসাথে আম্বরখানায় দেখতে পেয়ে তার ভাই ফরিদ আহমদ তাদের দিকে এগিয়ে আসেন। মুহূর্তেই সেখান থেকে পলায়ণ করেন আখলাকুল আলম। ফরিদ আহমদ তার বোন স্বর্ণাকে রাস্তায় কিছুক্ষণ মারধর করে বাড়িতে নিয়ে গিয়ে আবারও মারধর করেন। এতে তিনি আহত হয়ে বর্তমানে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।